বিজ্ঞাপন

দিনাজপুরের পতন হলে আবদুল হালিম আর মূল দলে যোগ দিতে পারেননি। এই দল থেকে তিনি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন এবং কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে ভারতে চলে যান। সেখান থেকে পরে তিনি নিজ এলাকায় চলে আসেন।

আবদুল হালিম পরে ২ নম্বর সেক্টরের রাজনগর সাব-সেক্টর এলাকায় যুদ্ধ করেন। গণবাহিনীর একটি দলের সঙ্গে তিনি ছিলেন। দলনেতা ছিলেন আবদুর রব চৌধুরী। আর তিনি ছিলেন সহদলনেতা। তাঁরা নোয়াখালী জেলার রায়গঞ্জ, দত্তপাড়াসহ কয়েকটি স্থানে পাকিস্তানি বাহিনী বা তাদের সহযোগী রাজাকারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন। দত্তপাড়ার যুদ্ধে স্থানীয় রাজাকার কমান্ডার ননী চেয়ারম্যান তাঁদের হাতে নিহত হন।

আবদুল হালিম ১৯৭১ সালে দিনাজপুর ইপিআর হেডকোয়ার্টারে কর্মরত ছিলেন। ২৮ মার্চ বেলা তিনটায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর একটি দল দিনাজপুর সেক্টর হেডকোয়ার্টারে আক্রমণ চালায়। এরপর ইপিআর সদস্যরাও পাকিস্তানি সেনাদের ওপর পাল্টা আক্রমণ চালান। আবদুল মজিদ ছিলেন অ্যান্টি ট্যাংক গানচালক। তিনি সে সময় পাকিস্তানি অবস্থানে গোলাবর্ষণ করেন। পরে তাঁরা হেডকোয়ার্টার থেকে বেরিয়ে এসে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেন। ইপিআর সদস্যদের প্রথম প্রতিরোধের ফলে পাকিস্তানি সেনারা দিনাজপুর থেকে ৩১ মার্চ পালিয়ে যায়।

বীরত্বসূচক খেতাবপ্রাপ্তদের তালিকা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন