এরপর তাঁরা কালীগঞ্জ বাজারে রাজাকার ক্যাম্পে অতর্কিতে আক্রমণ করে ১৭টি রাইফেল ছিনিয়ে নেন। ২১ জুন শরিফপুর বাজারের পার্শ্ববর্তী রেলসেতু ও বরাক নদের মাটির বাঁধের অংশবিশেষ বিস্ফোরক দিয়ে ধ্বংস করেন। এর ফলে সিলেটের সঙ্গে জকিগঞ্জের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ২৯ জুন তাঁরা জকিগঞ্জের আটগ্রামে অবস্থানরত পাকিস্তানি সেনাদের ওপর আক্রমণ চালান। তাঁদের আক্রমণে পাকিস্তানি সেনারা সেখান থেকে পালিয়ে যায়। এদের মধ্যে দুজন তাঁদের হাতে ধরা পড়ে।
সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে তিনি ৩ নম্বর সেক্টরে যোগ দেন। ডিসেম্বরের শুরুতে তাঁরা মিত্রবাহিনীর সঙ্গে আখাউড়ায় আসেন। আখাউড়ার যুদ্ধে এ কে এম রফিকুল হক সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।