default-image

বরাবর

পরিচালকবৃন্দ

কম্বল প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশ

বিষয়: কম্বলের দিক নির্ণয়ে ভোগান্তির সমাধান প্রসঙ্গে।

জনাব,

ষড়্ঋতুর নিয়মে প্রকৃতিতে নেমেছে শীত আর বাজারে উঠেছে কম্বল। হরেক রকমের কম্বল আছে বাজারে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, এসব কম্বলে শীত সামাল দেওয়া গেলেও মেজাজ সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রতি রাতেই কম্বল বিছানোর সময় দৈর্ঘ্য-প্রস্থ ঠিক করতে গিয়ে পড়তে হচ্ছে বিড়ম্বনায়, নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান সময়। লম্বা দিক ঠিক করে বিছানোর পরে দেখা যাচ্ছে, টিটকারি মেরে কম্বল বলছে, ‘ওরে বোকা! তুই যেটাকে লম্বা ভাবছিস, সেটা আসলে লম্বা না।’ ফলে ঘুমালে পা চলে যাচ্ছে কম্বলের সীমানার বাইরে।

বিজ্ঞাপন
default-image

তা ছাড়া আপনাদের মধ্যে একশ্রেণির ধাঁধাপ্রিয় পরিচালক বা মালিক বর্গাকৃতির কম্বল তৈরি করে ভোক্তাদের অগ্নিপরীক্ষায় ফেলছেন। বেশ কিছু পরিবারে ঘরোয়া ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে মেপেও লম্বা দিক ও চওড়া দিক মেলানো যাচ্ছে না। উল্টো পরিবারের কাছে শুনতে হচ্ছে কটু কথা, ‘কিসের ইঞ্জিনিয়ার হইছ, কম্বলের দিকই তো বোঝ না। নকল করে পাস করছ নাকি!’

এমতাবস্থায় আপনারাই পারেন জাতিকে উদ্ধার করতে। কম্বল তৈরি করার সময় কম্বলের গায়ে দৈর্ঘ্য (L), প্রস্থ (W) উল্লেখ করে দিক নির্দেশক তিরচিহ্ন দিয়ে দিলেই আর এ দুর্ভোগ পোহাতে হবে না। পাশাপাশি যারা বর্গাকৃতির কম্বল তৈরি করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে, তাদেরও আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানাই।

নিবেদক

আপামর ভুক্তভোগী জনতার পক্ষে

একজন বিভ্রান্ত শীতার্ত নাগরিক

একটু থামুন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন