বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মানুষ ও বিভিন্ন প্রাণী সাধারণত অন্যান্য প্রাণীর মাংস ও শাক-সবজি-তরকারি খেয়ে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি গ্রহণ করে, কিন্তু গরুর তো সে সুযোগ নেই। এ জন্য গরুর শরীরে রয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। তাদের বহুমাত্রিক পাকস্থলী এ ব্যাপারে সাহায্য করে। ঘাস, লতাপাতা খাওয়ার পর প্রথমে সেগুলো যায় বড় ও একাধিক স্তরের পাকস্থলীতে। সেখানে বিভিন্ন অণুজীব (মাইক্রো অর্গানিজম) উদ্ভিদের কোষগুলোকে গাজিয়ে ফ্যাটি অ্যাসিড তৈরি করে। এখান থেকে গরু তার শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তির এক বিরাট অংশ সংগ্রহ করে।

default-image

এরপর গরু সেই খাদ্য আবার মুখে এনে জাবর কাটে এবং মানুষ বা অন্যান্য প্রাণীর পরিপাক-প্রক্রিয়ার মতোই স্বাভাবিক ধারায় তা আসল পাকস্থলীতে পাঠায়, যা ওই ক্ষুদ্রান্ত্রের মধ্য দিয়ে যায়। এখানে অ্যামাইনো অ্যাসিড ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান শরীরে সংশ্লেষিত হয় এবং আগের পাকস্থলীর অণুজীবগুলোও পরিপাক হয়। এভাবে শুধু ঘাস থেকেই গরু তার শরীরের জন্য পুষ্টিকর উপাদানগুলো সংগ্রহ করে মোটাতাজা হয়ে ওঠে।

একটু থামুন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন