default-image

১. ডিপিডিসি তাদের ৩৬টি কার্যালয়ে চিঠি দিয়ে বেশি বিল করার নির্দেশ দিয়েছিল। বিল বেশি করতে ব্যবহার করা হয়েছিল একটি স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার। কত কষ্টের কাজ! অথচ ডিপিডিসির এমডি চাইলেই হয়তো কয়েকজন গুন্ডার হাতে পিস্তল দিয়ে গ্রাহকদের ঘরে ঘরে পাঠিয়ে দিতে পারতেন। গুন্ডারা গৃহকর্তাদের কপালে পিস্তল ঠেকিয়ে বলতে পারত, ‘ট্যাকা দে, নাইলে ঘিলু উড়ায়া দিমু।’ তখন কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে সবাই টাকাপয়সা, ঘটিবাটিসহ বাসায় যা কিছু পেত, সব দিয়ে দিত। তা না করে এমডি সাহেব ভুতুড়ে বিল পাঠিয়ে শুদ্ধাচার বজায় রেখেছেন। এর জন্য তিনি পুরস্কারটি পেতেই পারেন।

বিজ্ঞাপন

২. ধনী-গরিব নির্বিশেষে ডিপিডিসির সব গ্রাহকই ভুতুড়ে বিল পেয়েছে। অভিনয়শিল্পী জয়া আহসান থেকে মেহের আফরোজ শাওন যেমন ভুতুড়ে বিল পেয়েছেন, তেমনি পেয়েছেন জনৈক গেন্দার বাপ ও বাতাসীর মায়েদের মতো আমজনতাও। ধনী-গরিবের মধ্যে ভেদাভেদহীন এমন একটি বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থা হাতেকলমে দেখানোর জন্য এমডি সাহেব সামান্য একটি শুদ্ধাচার পুরস্কারও পাবেন না?

৩. এমডি সাহেব একজন নিবেদিতপ্রাণ নেতা। তিনি জনগণের কথা না ভেবে নিজের প্রতিষ্ঠানের কথা ভেবেছেন। জনগণ নাহয় এক বেলা না খেয়েই ভুতুড়ে বিল দিল, তিনি তো তাঁর প্রতিষ্ঠানকেই লাভের মুখ দেখাতে চেয়েছিলেন। এমন দক্ষ ব্যবস্থাপক, নিবেদিতপ্রাণ নেতার জন্য শুদ্ধাচার পুরস্কার আসলে কম হয়ে যায়। ডিপিডিসি কর্তৃপক্ষের উচিত তাঁকে আজীবন সম্মাননা দিয়ে আমৃত্যু ডিপিডিসিতেই রেখে দেওয়া।

একটু থামুন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন