বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পেঙ্গুইন বলে যে এই সম্মাননায় কোনো ত্রুটি ছিল, তা কিন্তু নয়। সব ধরনের রাজকীয় ও সামরিক নিয়মনীতি মেনে, ঘটা করে নিলস ওলাভকে এই সম্মাননা দেন ব্রিটিশ মেজর জেনারেল ইউয়েন লাউডেন।

default-image

অনুষ্ঠানে ভাষণ দিয়েছিলেন নরওয়ের রাজা পঞ্চম হ্যারল্ড। পেঙ্গুইনের কাঁধে তলোয়ার ছোঁয়ানোর রেওয়াজ, কুচকাওয়াজ, সংগীত পরিবেশন, আপ্যায়ন ইত্যাদি সব আয়োজনই ছিল। অনুষ্ঠানের দিন উপস্থিত ছিলেন নরওয়েজীয় গার্ডের ৩০ সদস্য। শুধু তা–ই নয়, নিলসকে ওই দিন পেট পুরে মাছও খেতে দেওয়া হয়েছিল।

default-image

২০১৬ সালে তৃতীয় নিলস ‘ব্রিগেডিয়ার’ হিসেবে পদোন্নতি পায়। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজপ্রতিরক্ষা বাহিনীর ৫০ সদস্য। তখন চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ বলেছিল, ‘স্যার তৃতীয় নিলস ওলাভ নরওয়েজীয় গার্ডদের মধ্যে অত্যন্ত সম্মানিত এবং তাঁর “অসামান্য সেবা ও ভালো আচরণের” জন্য তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।’

default-image

তবে তৃতীয় নিলস ওলাভ একমাত্র পেঙ্গুইন নয়, যে এই বিরল সম্মাননা পায়। ১৯৮৭ সালে প্রথম নিলস ওলাভ পেঙ্গুইন ‘সার্জেন্ট’ পদে উন্নীত হয়। আশির দশকে তার মৃত্যু হলে সে জায়গায় আসে দ্বিতীয় নিলস ওলাভ। ১৯৯৩ সালে দ্বিতীয় নিলস ‘রেজিমেন্টাল সার্জেন্ট মেজর’ এবং ২০০১ সালে ‘অনারেবল রেজিমেন্টাল সার্জেন্ট মেজর’ হিসেবে পদোন্নতি পায়।

default-image

২০০৫ সালে তাকে একই রেজিমেন্টের ‘কর্নেল–ইন–চিফ’ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। ২০০৫ সালে এই পেঙ্গুইনের সম্মানে এডিনবরা চিড়িয়াখানায় একটি ব্রোঞ্জের তৈরি ভাস্কর্যও তৈরি করা হয়। আরেকটি ভাস্কর্য স্থাপন করা হয় নরওয়ের অসলো শহরে। আর তৃতীয় নিলস ওলাভ এই পদোন্নতিগুলো পায় ২০০৮ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি, এনবিসি নিউজ, দ্য গার্ডিয়ান ও এবিসি ডটনেট

একটু থামুন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন