default-image

আগে ‘না’

জলিলের সহকর্মী মুবিন ভীষণ হতাশ। প্রতিদিনই কোনো না কোনো হতাশার কথা বলে সে।

জলিল বলল, ‘জীবনের ওপর হতাশ আপনি?’

মুবিন বলল, ‘হ্যাঁ।’

জলিলের প্রশ্ন, ‘কেউ আপনাকে বোঝে না?’

মুবিন এবারও বলল, ‘হ্যাঁ।’

জলিল প্রশ্ন করেই যাচ্ছে, ‘ভীষণ একা লাগে? সব অর্থহীন মনে হয়?’

মুবিন এবারও একই উত্তর দিল, ‘হ্যাঁ।’

জলিল হাসিমুখে বলল, ‘এসব সমস্যা সমাধানের আগে “না” বলা শিখুন। তারপর প্রশ্নগুলোর উত্তর দিন।’

বসের খেলা

মিটিংয়ে বস ভীষণ রেগে গেছেন। রাগে তার মুখ দিয়ে কথা বেরোচ্ছে না।

কিছুক্ষণ পর বললেন, ‘একটা খেলা খেলবেন আপনারা?’

কর্মীরা আমতা আমতা করে বলল, ‘কেন খেলব না! খেলার নিয়মটা বলুন, স্যার।’

বস বললেন, ‘আমি দুহাতে আমার চোখ ঢেকে রাখব। সেই ফাঁকে আপনারা পালিয়ে যাবেন। এরপর আর কোনো দিন এই অফিসে ফিরে আসবেন না।’

নতুন ব্যবসা

করোনাকালে পুরোনো ব্যবসার অবস্থা খুব খারাপ। এসব নিয়ে দুই বন্ধু কথা বলছিল।

প্রথম বন্ধু বলল, ‘নতুন ব্যবসা করতে হবে। কী করা যায়, বল তো!’

দ্বিতীয় বন্ধু বলল, ‘সেটাই ভাবছি। এভাবে আর কত দিন চলে!’

প্রথম বন্ধু বলল, ‘তোর কাছে যে টাকা আছে, সেটা দিয়ে তুই কী খুলতে পারবি?’

দ্বিতীয় বন্ধুর জবাব, ‘ওই টাকা দিয়ে শুধু জানালাই খোলা যাবে, দোস্ত!’

নিয়তি আর ইয়ারফোনের তার

সবার মতো টুনির ইয়ারফোনেও প্যঁাচ লাগে এবং এটা নিয়ে সে রোজই তিতিবিরক্ত হয়।

ওর বন্ধুরা আবার এটা নিয়ে মহাবিরক্ত।

রবিন বলল, ‘আরে বাবা, এটা আমাদেরও হয়। রোজ এটা নিয়ে ঘ্যান ঘ্যান করিস কেন?’

টুনি বলল, ‘আমি তো সুন্দর করে গুছিয়ে রাখি।’

জিতু বলল, ‘শোন, তুই যতই সুন্দর করে ইয়ারফোন গুছিয়ে রাখিস না কেন, প্যঁাচ লাগবেই। নিয়তি আর ইয়ারফোনের তারের ওপর আমাদের হাত নেই।’

বিজ্ঞাপন
একটু থামুন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন