default-image

প্রথমে মনে হয় কীভাবে বাঁচবে? বাঁচার জন্য খাওয়া দরকার। পাকস্থলীই যদি না থাকে, পেটের ভেতর কোথায় থাকবে খাবার? কিন্তু চিকিৎসকেরা দেখেছেন, বেঁচে থাকার জন্য পাকস্থলী অপরিহার্য নয়। সদ্য প্রয়াত বিশ্বখ্যাত ফুটবলার ডিয়েগো ম্যারাডোনার উচ্চতা ছিল ৫ ফুট ৫ ইঞ্চি। তাঁর ওজন যখন ২৫২ পাউন্ড (প্রায় ১১৫ কেজি), তখন ওজন কমানোর জন্য চিকিৎসকেরা তাঁর পাকস্থলীর একাংশ কেটে বাদ দেন।

default-image

অস্ত্রোপচারের পর ম্যারাডোনার শরীরের মেদ কমে যায়। হয়ে ওঠেন হালকা–পাতলা। মনে আছে নিশ্চয়ই, ওই অস্ত্রোপচারের পর ২০০৮ ফুটবল বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের কোচের দায়িত্বই কাঁধে নেন তিনি। আর দায়িত্ব নিয়ে মাঠে সেকি দৌড়ঝাঁপই না করলেন সেবার!

default-image

কেবল আংশিক নয়, পুরো পাকস্থলী কেটে বাদ দিলেও মানুষ বাঁচতে পারে। পাকস্থলী হলো খাবারের আধার। আমরা যা খাই তা প্রথমে এখানে জমা হয়, ঘন তৈলাক্ত তরলে পরিণত হয় ও ধীরে ধীরে ক্ষুদ্রান্ত্রে যায়। অস্ত্রোপচার করে যদি পাকস্থলী বাদ দেওয়া হয়, তাহলে খাওয়ার পর খাবার পেটে জমিয়ে রাখা যায় না। এটাই পার্থক্য, আর সব ঠিক। প্রথম দিকে কিছু অসুবিধা হয়। যেমন অল্প অল্প করে দিনে কয়েকবার খেতে হয়। কিছুটা অস্বস্তি লাগে। কয়েক মাসের মধ্যে এসব দূর হয়। একবারে বেশি খেলে পেটের অসুখ হতে পারে। পাকস্থলী অস্ত্রোপচারকে ডাক্তারি পরিভাষায় গ্যাসট্রেকটমি বলে।

বিজ্ঞাপন
একটু থামুন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন