৩.

গিট্টুকে শিক্ষকের প্রশ্ন—

শিক্ষক: বলো তো গিট্টু, সবচেয়ে হাসিখুশি প্রাণী কোনটা?

গিট্টু: হাতি, স্যার!

শিক্ষক: কেন?

গিট্টু: দেখেন না স্যার, হাতি খুশিতে সব সময় দাঁত বের করে রাখে।

শিক্ষক: তবে আমি আরেকটা নাম জানি।

গিট্টু: কোনটা, স্যার?

শিক্ষক: মশা। দেখো না, কাজের সময় ওরা কেমন গুনগুন করে গান গায়!

৪.

মুরগির ছানা: মা, মানুষ বাচ্চাকাচ্চাদের কী সুন্দর নাম রাখে, কিন্তু আমাদের নাম নেই কেন?

মা মুরগি: আমাদেরও নাম রাখা হয়, তবে মরার পর।

মুরগির ছানা: কী নাম রাখা হয়?

মা মুরগি: চিকেন ফ্রাই, চিকেন গ্রিল, চিকেন তন্দুরি...। আর যে মুরগি এমনি এমনি মরে যায়, তার নাম দেওয়া হয় মরা মুরগি।

৫.

বল্টু সকালবেলা পাড়ার খেলনার দোকানটাতে গিয়ে দোকানিকে বলল, ‘আংকেল, আপনাদের এই ফুটবলটা কি রাত পর্যন্ত থাকবে?’

দোকানদার বলল, ‘তা থাকবে। বিক্রিবাট্টা ভালো না তো। কিন্তু কেন?’

বিল্টু বলল, ‘আমি এখন বাসায় গিয়ে বলটা কেনার জন্য ঘ্যান ঘ্যান শুরু করব। দুপুরে বিরক্ত হয়ে মা আমাকে মারবে। সন্ধ্যা পর্যন্ত কান্না থামাব না। বাধ্য হয়ে রাতে বাবা ফুটবলটা কিনে দেবে।’

৬.

বিপদে পড়ে মতলববাজ এক নেতার কাছে গেছে এলাকার এক ডাকাত।

নেতা ডাকাতকে বিপদ থেকে রক্ষাও করল।

ডাকাত বিনয়ে গলে গিয়ে বলল, ‘স্যার, আপনি আমার বড় উপকার করলেন! মাঝেমধ্যে আপনার কাছে আসব, স্যার!’

নেতা বলল, ‘তা আসিস, তবে দয়া করে রাতে আসিস না কিন্তু!’

একটু থামুন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন