বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

৫. ঢেউয়ের ওপর সাতবার ঝাঁপ

default-image

ব্রাজিলীয়রা যে শুধু সাদা পোশাকই পরেন, তা নয়। সাদা পোশাকের পাশাপাশি সুযোগ থাকলে তাঁরা যেকোনো জলাশয়ের কাছে যান এবং তীরে আসা সাতটি ঢেউয়ের ওপর লাফ দেন। প্রতিবার ঢেউয়ের ওপর লাফ দেওয়ার সময় তাঁরা একটি করে শুভকামনা করেন। তাঁদের বিশ্বাস, এটা করলে তাঁদের শুভকামনাগুলো পূর্ণ হবে।

৬. নতুন বছরের নতুন সংকল্প

default-image

নতুন বছর এলেই ‘নিউ ইয়ার নিউ মি’ লিখে ফেসবুকে স্ট্যাটাস না দিলে ঠিক জমে না। নতুন বছরে নতুন সংকল্প নিয়ে উচ্ছ্বাসের কমতি নেই কোথাও। কেউ ওজন কমাবেন, কেউ বেশি বেশি বই পড়বেন, কেউবা পণ করেন অপচয় কম করার। তবে নয়া বছরে সংকল্পের এই ব্যাপার কিন্তু মোটেও নতুন কিছু নয়। ইতিহাস বলছে নতুন বছরে নতুন সংকল্প করার ঐতিহ্য অন্তত চার হাজার বছরের পুরোনো। মনে করা হয় ব্যাবিলনের অধিবাসীরাই প্রথম নতুন বছর উদ্‌যাপন করতে শুরু করেছিলেন। নতুন বছর উপলক্ষে তাঁরা ঋণ পরিশোধ এবং ধার নেওয়া বস্তু ফেরত দেওয়ার অঙ্গীকার করতেন।

৭. ভাঙা প্লেটে সৌভাগ্যের খোঁজ

default-image

প্লেট ভেঙে গেলে আপনি কী করেন? এরপর থেকে ফেলে না দিয়ে ডেনমার্কে রপ্তানি করতে পারেন। কারণ, সেখানে নতুন বছরের প্রথম দিনে ভাঙা প্লেটের ব্যাপক চাহিদা! আদতে ভাঙা প্লেটকে ডেনমার্কে ভালো কিছুর ইঙ্গিত বলে মনে করা হয়। সেখানকার লোকজন বন্ধুবান্ধব ও আত্মীয়স্বজনের বাসার সামনে ভাঙা প্লেট রেখে আসেন। নতুন বছরের প্রথম দিন ঘুম থেকে ওঠার পর যার বাসার সামনে যত বেশি ভাঙা প্লেট থাকবে, তাকে তত বেশি ভাগ্যবান মনে করা হয়। ভাঙা প্লেটও যে এমন শুভ কাজে ব্যবহার করা যায়, তা কে জানত!

৮. বছরের শুরু ১২টি আঙুরে

default-image

স্পেনে নতুন বছরের শুরুতে ১২টি আঙুর খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ এক ঐতিহ্য। প্রতিটি আঙুর বছরের একেকটি মাসের ইঙ্গিত বহন করে। মাদ্রিদ ও বার্সেলোনার মতো দেশটির বড় বড় শহরের মানুষ এই ‘সৌভাগ্যের আঙুর’ খাওয়ার জন্য শহরের কেন্দ্রস্থলে জড়ো হন।

৯. যাত্রা শুরু চুমু খেয়ে

default-image

এটি এসেছে জার্মান ও ইংলিশ লোককাহিনি থেকে। এই ঐতিহ্য অনুসারে, ঘড়ির কাঁটায় ঠিক যখন নতুন বছর শুরু হবে, তখনই প্রিয়জনকে চুমু খেতে হবে। মনে করা হয়, যাঁকে চুমু খাচ্ছেন, তাঁর ওপরই নতুন বছরের সাফল্য ও ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করছে। তাই যাঁকে তাঁকে চুমু খেয়ে লাভ নেই! উপযুক্ত সঙ্গী বাছাই করা এ ক্ষেত্রে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।

১০. বালিশের নিচে গাছের শাখা

default-image

চুমু খাওয়ার মতো কোনো সঙ্গী যাদের নেই, তাদের জন্য এই রীতি একেবারে জুতসই। আয়ারল্যান্ডের লোককথা অনুসারে, কেউ যদি ৩১ ডিসেম্বর রাতে মিসেলটো গাছের একটি শাখা বালিশের নিচে রেখে ঘুমায়, তাহলে স্বপ্নে সে তার ভবিষ্যৎ সঙ্গীর দেখা পাবে!

১১. পেঁয়াজ যখন ঘরের লক্ষ্মী

default-image

পেঁয়াজ কাঁদায়, কাঁচা পেঁয়াজের গন্ধে ভূতও নাকি পালায় মাঝেমধ্যে। তবে পেঁয়াজকে গ্রিসের লোকেরা সৌভাগ্য এবং উর্বরতার প্রতীক বলেই মনে করে। কারণ, পেঁয়াজ টিকে থাকতে পারে তেমন কোনো যত্ন–আত্তি ছাড়াই। তাই নতুন বছরের শুরুতে গ্রিসের মানুষজন তাদের দরজায় পেঁয়াজ ঝুলিয়ে রাখেন, গন্ধ ছড়ালেও তা নাকি সৌভাগ্যও বয়ে আনে।

১২. লম্বা জীবনের জন্য ‘লম্বা’ খাবার

default-image

জাপানে নতুন বছর উপলক্ষে তোশিকোশি সোবা নামের এক খাবার খাওয়া হয়। এই খাবার রাঁধা হয় লম্বা নুডলস দিয়ে। জাপানিদের আশা, লম্বা নুডলসের মতো লম্বা হবে সবার আয়ু।

১৩. অন্তর্বাসের রঙে বছরের ভালোমন্দ

default-image

উত্তর আমেরিকায় অনেকের বিশ্বাস, নতুন বছরের শুরুতে যে রঙের অন্তর্বাস পরবেন, সারা বছর তেমনই যাবে। যেমন হলুদ রঙের অন্তর্বাস মানে সৌভাগ্য, লাল হচ্ছে ভালোবাসা এবং সাদা অন্তর্বাস হচ্ছে শান্তির প্রতীক।

সূত্র: গুডহাউসকিপিং ডটকম

একটু থামুন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন