বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জানাজানি হয়ে গেলে জালিয়াত চক্র মেশিনকে ফাঁকি দিয়ে নোট নকল করার কৌশল বের করে ফেলবে। তা সত্ত্বেও বলা যায়, মেশিন সাধারণত অন্তত দুটি কৌশল ব্যবহার করে। এগুলো হলো আলোক রশ্মি দিয়ে টের পাওয়া বা চৌম্বকীয় পদ্ধতিতে টের পাওয়া।

default-image

কাগজের নোট ছাপানোর কালির কিছু চৌম্বকীয় গুণ থাকে, যার উপস্থিতি মেশিন টের পায়। নোটে ইলেকট্রনিক স্বাক্ষরের সুনির্দিষ্ট লেখচিত্র বিশ্লেষণ করে আসল, না নকল, তা কম্পিউটার বলতে পারে। তাই অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে ফটোকপি করলেও মেশিন নকল নোট ধরে ফেলে।

দ্বিতীয় পদ্ধতিতে নোটের ওপর আলোক রশ্মি ফেলা হয়। কোনো কোনো নোটের কালি সেই আলো শুষে নেয়, আবার কোনো কোনো কালি আলো প্রতিফলিত করে। ফলাফল পরীক্ষা করে কম্পিউটার বুঝতে পারে, নোট আসল, না নকল। উভয় ক্ষেত্রেই পরীক্ষা করতে সময় লাগে প্রায় এক সেকেন্ড।

default-image

নোট নকল বন্ধের জন্য কিছু দেশ কাগজের পরিবর্তে পলিমার নোট ব্যবহার করে। এই নোট সহজে ফটোকপি করা যায় না। বাড়তি কিছু নিরাপত্তা চিহ্নও ওই সব নোটে থাকে। কিন্তু কঠিন হলেও পলিমার নোটেরও নকল হয়, যদিও নকলের হার কম। তবে মেশিন সেসব নকল নোটও আজকাল শনাক্ত করতে পারে।

একটু থামুন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন