default-image

ব্রিটিশ রাজপরিবারে জন্ম বলে প্রিন্স হ্যারিকে রাজপুত্র হিসেবে সম্বোধন করা হয়। ২০১৮ সালে মার্কিন অভিনেত্রী মেগান মার্কেলকে বিয়ের পর তাঁরা হলেন সাসেক্স কাউন্টির ডিউক ও ডাচেস। এই পদবিগুলো তাঁরা পেয়েছেন রাজপরিবারের সূত্রে।

তবে রাজকার্য থেকে অব্যাহতি নিয়ে দুজন এখন সাধারণ নাগরিকের মতো বাস করছেন। ছেড়েছেন রাজপ্রাসাদও। থাকেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায়। রাজপরিবার ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়াটা তাঁদের জন্য কোনোভাবেই সহজ ছিল না। অপরাহ্‌ উইনফ্রের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তা তাঁরা প্রকাশও করেছেন।

default-image

তবে সবকিছু ছাপিয়ে এখন প্রশ্ন হলো, রাজপরিবার ছাড়ার পর প্রিন্স হ্যারি কি এখন আর রাজপুত্র নন? কিংবা রাজকার্য থেকে অব্যাহতি নেওয়ার পর দম্পতিটিকে কি আর ডিউক অ্যান্ড ডাচেস অব সাসেক্স ডাকা হবে না?

প্রথম প্রশ্নটির উত্তর হলো, হ্যারি এখনো রাজপুত্র। সে সূত্রে তাঁর স্ত্রী মেগান এখনো প্রিন্সেস মেগান হওয়ার কথা (যদিও এ বিষয়ে যথেষ্ট দ্বিমত আছে)। তবে দুজনের কেউই সেটি চান না। নামের আগে ‘হিজ/হার রয়্যাল হাইনেস’ শব্দগুলো উল্লেখ না করার পক্ষেই তাঁদের মত।

default-image

তবে রাজপরিবারে জন্ম-অধিকার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মজার ব্যাপার হলো, রাজপরিবারের সঙ্গে এত নাটুকে বিচ্ছেদের পর হ্যারি এখনো ব্রিটিশ সিংহাসনের উত্তরাধিকারী। তালিকায় তাঁর নাম অবশ্য বেশ পেছনে। রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ যদি কোনো কারণে তাঁর দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেন, তবে ব্রিটিশ সিংহাসনের ওপর সবচেয়ে বেশি অধিকার থাকবে হ্যারির বাবা প্রিন্স চার্লসের। এরপরে আছেন বড় ভাই প্রিন্স উইলিয়াম। হ্যারি তালিকায় ষষ্ঠ। জীবদ্দশায় সিংহাসন পর্যন্ত পৌঁছানো বেশ কঠিন। তবে রাজপরিবারে অদ্ভুত ঘটনার নজিরও কম নেই।

default-image

দ্বিতীয় প্রশ্নটির উত্তরও একই। প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেল এখনো ডিউক অ্যান্ড ডাচেস অব সাসেক্স। তবে ভবিষ্যতেও তেমন থাকবেন কি না, সেটা অনিশ্চিত। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন রানি এলিজাবেথ। আর একাধিক সংবাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রানির কাছে বিষয়টি এখন পর্যন্ত কেউ উত্থাপন করেননি।

সূত্র: এনপিআর, বার্মিংহাম লাইভ, ব্রিটিশ হেরিটেজ

বিজ্ঞাপন
একটু থামুন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন