১. বিভ্রান্ত হবেন না! সারা দেশের অন্যান্য স্কুলের মতো এই স্কুলও খোলেনি। স্কুলটা খোলাই ছিল। করোনাকালেও খোলা আছে হাট করে। ফলে সেখানে যে কেউ যখন তখন ‘শিক্ষার জন্য’ গিয়ে ‘সেবার জন্য’ বেরিয়ে পড়তে পারে।

default-image
বিজ্ঞাপন

২. বিভ্রান্ত হবেন না! এই শিশুরা শিক্ষার জন্য স্কুলে যায়নি, গিয়েছে খেলতে। করোনাকালে ঘরে বসে থাকতে থাকতে হাতে–পায়ে খিল লেগে গিয়েছিল নিশ্চয়ই। আশার কথা হলো, এই স্কুলে ছোট্ট একটি মাঠ দেখা যাচ্ছে।

default-image

৩. বিভ্রান্ত হবেন না! ঘন সবুজ মাঠটি ঘাসে আচ্ছাদিত নয়। কার্পেটেও মুড়ে দেওয়া হয়নি স্কুলের চত্বর। অতিবৃষ্টি এবং জলাবদ্ধ পরিবেশের কারণে স্কুলের মাঠে পানি জমেছে। পানিতে আবার জমেছে সবুজ শেওলা।

default-image
বিজ্ঞাপন

৪. বিভ্রান্ত হবেন না! শ্রেণিকক্ষের মেঝেতে ত্রিমাত্রিক ছবি আঁকা হয়নি। এখানেও পানি জমেছে। জানালা খোলা পেয়ে বৃষ্টি পড়েছে শ্রেণিকক্ষেই। তাতেই জমেছে শেওলা। আর তাই খোলা স্কুলে শিশুরা খেলছে।

default-image

করোনাকালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। এর মধ্যেই অতিবৃষ্টি ও জলাবদ্ধ পরিবেশের কারণে পানি জমেছে কাজলার পাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে। স্কুলটির অবস্থান ঢাকার যাত্রাবাড়ীর ডেমরা এলাকায়। আর কেবল মাঠে নয়, পানি জমেছে স্কুলের শ্রেণিকক্ষেও। এলাকায় খেলার মাঠ না থাকার কারণে পানিজমা ওই মাঠেই শিশুরা খেলাধুলা করছে। ছবিতে দেখা না গেলেও, মানবশিশুদের সঙ্গে মশকশিশুরাও যে খেলাধুলায় অংশ নিচ্ছে, তা নিশ্চিত। গত ২৮ সেপ্টেম্বর ছবিগুলো তুলেছেন প্রথম আলোর আলোকচিত্রী সাজিদ হোসেন

একটু থামুন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন