'দিদির ভাইয়েরা মস্তানি করতে এলে ফিরে যাবে না'

দিলীপ ঘোষ। ছবি: ফেসবুক
দিলীপ ঘোষ। ছবি: ফেসবুক

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের লোকসভা নির্বাচনে ব্যাপক সাফল্য পাওয়ায় ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এবার দারুণ উজ্জীবিত। লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ১৮টি জয় করে বিজেপি

বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ করিমপুর আসনে দলীয় প্রার্থী জয়প্রকাশ মজুমদারের নির্বাচনী প্রচারে আসেন। গতকাল সোমবার এক জনসভায় তিনি বলেছেন, ‘দিদির ভাইয়েরা যদি মস্তানি করতে আসে, তবে একজনও এবার ফিরে যাবে না।’

দিলীপ ঘোষ বলেন, এবার আর পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত নির্বাচনের মতো এই উপনির্বাচন করতে দেওয়া হবে না। বিজেপিও এখন আগের বিজেপি নেই। তাঁরা অনেক শক্তিশালী বলীয়ান। তাই গাড়ি, মোটরবাইক, সাইকেলে করে ভোটকেন্দ্রে ভোট লুট করতে এলে এবার আর কেউ ফেরত যাবে না। লোকসভা নির্বাচনে এবার প্রমাণ হয়ে গেছে সামনে আসছে বিজেপির দিন। তৃণমূলের দিন শেষ।

দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘লিখে নিন কোনো শক্তি আর বিজেপিকে আটকাতে পারবে না। কারণ এখন মানুষ বিজেপির দিকেই ঝুঁকে আছে। তাই তিনটি আসনেই জিততে চলেছে। দেখুন যত দূর চোখ যাচ্ছে সব কালো মাথা আজ গেরুয়া শিবিরের সৈনিক হয়ে গেছে। শাসক দল আজ জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। পুলিশ নিয়ে চলছে। আর আমরা মানুষের ভালোবাসা নিয়ে চলছি।’

বিজেপি এখন মাঠে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। ২৫ নভেম্বর এই রাজ্যের তিনটি বিধানসভায় উপনির্বাচন। আসন তিনটি হলো পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়গপুর সদর, নদীয়ার করিমপুর ও উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জ। খড়গপুর আসনটি ছিল বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের। এবার তিনি সাংসদ হওয়ার পর ছেড়ে দেন বিধানসভার আসন। কালিয়াগঞ্জ ছিল কংগ্রেসের আর করিমপুর ছিল তৃণমূলের।

২০১৪ সালের নির্বাচনে বিজেপি জিতেছিল ২টি আসন। লোকসভা নির্বাচনে অভাবনীয় সাফল্যে বিজেপি এবার পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন দেখা শুরু করেছে।

এবার তিনটি বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে লড়ছে বিজেপি, তৃণমূল কংগ্রেস এবং কংগ্রেস-বাম দলের জোট। এই তিনটি আসন এবার ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য আদাজল খেয়ে মাঠে নেমেছে বিজেপি ও তৃণমূল। বসে নেই কংগ্রেস-বামজোটও।

লোকসভা নির্বাচনে ব্যাপক সাফল্যের পর বিজেপি ঘোষণা দিয়েছে, এই তিনটি আসনেই তারা জিতবে।