বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এর মধ্যে একদিন আমার বড় বোন রহিমা খাতুন বললেন, ‘আমাদের দুই ভাই ইঞ্জিনিয়ার হয়েছে। তুই ডাক্তারি পড়। পরিবারে একজন ডাক্তার তো দরকার!’

আমি বললাম, ‘না, ডাক্তারি আমার ভালো লাগে না।’

তখন আপা মাকে বললেন, ‘কাহ্হারকে ডাক্তারি পড়তে বলো।’

মা বললেন, ‘ঠিকই তো। তোর ছোট ভাইটা তো পড়াশোনায় মনোযোগী না, পরিবারে ডাক্তার হতে গেলে তোকেই হতে হবে।’

আপা আর মায়ের কথায় ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হলাম। প্রথম দুই বছর ক্লাসে মন বসাতে পারিনি। তৃতীয় বর্ষে উঠে মেডিসিনের ওয়ার্ড করতে গিয়ে প্রথম ডাক্তারির প্রতি ভালো লাগা অনুভব করতে শুরু করি। অধ্যাপক এস জি এম চৌধুরীর ক্লাস মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখত। তিনি ওয়ার্ডে রাউন্ডে আসতেন রাত সাড়ে ১০টা থেকে ১১টায়।

রোগীদের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ও মানবিক মূল্যবোধ আমাকে চিকিৎসা পেশার প্রতি আগ্রহী করে তুলল। এখানে আরও দুজন শিক্ষকের কথা বলব, আমার ওপর যাঁদের ইতিবাচক প্রভাব অপরিসীম—অধ্যাপক এন আই খান ও অধ্যাপক এ কিউ এম নুরুল হক। এই শিক্ষকেরা তাঁদের প্রজ্ঞা, নিষ্ঠা, মানব দরদের আদর্শ দিয়ে আমার হৃদয় গড়ে তুললেন। আমি চিকিৎসা পেশার প্রতি নিষ্ঠাবান হয়ে উঠতে লাগলাম।

জীবনযাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন