default-image

দিনগুনে ভালোবাসা হয় না। তবে ভালোবাসার জন্য যে বিশেষ দিন, সেটাও তো উপেক্ষা করা কঠিন। ১৪ ফেব্রুয়ারি ‘ভালোবাসা দিবস’ তাই যুগলদের কাছে বিশেষই বটে। এই দিনে একজন তাঁর প্রিয়জনকে দিতে চান বিশেষ কোনো উপহার, যেটা তাঁদের আরও কাছে আসতে, কাছে রাখতে সাহায্য করে। অভিনেতা নিরব বলেন, ‘ভালোবাসার মানুষের কাছ থেকে কোনো উপহার পাওয়ার অনুভূতিই আলাদা। উপহারটা যে দামেরই হোক না কেন, এতে মিশে থাকে প্রিয় মানুষটার আবেগ। তাই প্রিয়জনের পছন্দ বুঝেই উপহারটা কেনা উচিত। উপহার কেনার পর যতটা সারপ্রাইজিং করে দেওয়া যায়, বিষয়টা ততই মধুর হবে।’

default-image

ভালোবাসা দিবসে প্রিয়জনকে কোনো উপহার দেওয়ার আগে অবশ্যই মাথা খাটানো উচিত। উপহারটা যে সব সময় বেশি দামের হতে হবে, সেটা নয়। বরং অনেক কম বাজেটে সুন্দর কিছু উপহার দেওয়া যেতে পারে। আড়ং হোমের ডিজাইন ইনচার্জ কামাল আহমেদ জানালেন, ভালোবাসা দিবসের উপহার এমন কিছুই হওয়া উচিত, যেটা সচরাচর দেওয়া হয় না। উপহার দেওয়ার সময় যতটা রোমান্টিক হওয়া যায়, প্রিয়জনকে ততটাই খুশি করা যাবে। ভালোবাসা দিবসের উপহার হতে পারে নানা কিছু। কামাল আহমেদ বলেন, ‘প্রেমিকার জন্য মুক্তার গয়না, রুপা ও অন্য রঙের মিশেলে তৈরি আংটি কিনতে পারেন। চাইলে ফরমাশ দিয়ে বানানো যেতে পারে। প্রেমিকা তাঁর প্রেমিকের জন্য নিতে পারেন একটা ওয়ালেট। তবে সেটা একেবারে কালো না হয়ে অন্য রঙের হতে পারে। ছোট্ট কোনো শোপিস বা নকশিকাঁথায় তৈরি ওয়ালম্যাটও দেওয়া যায়।’
প্রিয়জনের জন্য একটা উজ্জ্বল রঙের টপ বা প্রিন্টের শার্ট কেনা যেতে পারে। প্রেমিকের জন্য টাই আর কাফলিং মিলিয়ে একটা বক্স করে দিতে পারেন। প্রিয়জনের একটা পছন্দের ছবিসহ ফটোফ্রেম কিনে দিতে পারেন, যেটা বারবার আপনার কথা মনে করিয়ে দেবে। মোমের তৈরি শোপিস বা একটা ছোট্ট পার্সও কিনতে পারেন। একটু অগোছালো প্রেমিকের জন্য একটা মিষ্টি আলোর ল্যাম্পশেড কিনে দিতে পারেন। উপহার হতে পারে ঘড়ি বা রোদচশমা।

বিজ্ঞাপন
জীবনযাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন