করোনা এড়াতে যেসব জায়গা এড়িয়ে চলবেন

বিজ্ঞাপন

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে লকডাউন, সামাজিক দূরত্ব, মাস্ক পরার মতো নানা নিয়মকানুন চালু করেছে বিভিন্ন দেশ। ধীরে ধীরে লকডাউন শিথিলও করা হয়েছে নানা কারণে। এর অর্থ এই নয় যে করোনা সংক্রমণের বিস্তার ও ঝুঁকি কমে গেছে। কাজেই বাইরে গেলেও সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

হোটেল-রেস্তোরাঁ ও বাজার
হোটেল-রেস্তোরাঁর মতো জায়গায় করোনা সংক্রমণের হার অন্যান্য জায়গার তুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশি। কাজেই খুব বেশি অসুবিধা না হলে অনলাইনে অর্ডার করে ঘরেই খাবার খান। যদি রেস্তোরাঁয় যেতেই হয়, তাহলে এমনভাবে বসুন, যেন আপনার টেবিল থেকে অন্য টেবিলের দূরত্ব ন্যূনতম ছয় ফুট থাকে। সুপারশপ বা কাঁচাবাজারে যাওয়াও যতটা সম্ভব এড়ানোর চেষ্টা করুন। অনলাইনে বা বাড়ির সামনে সবজির ফেরিওয়ালার কাছ থেকে প্রয়োজনীয় কেনাকাটা সেরে ফেলুন।

ব্যায়ামাগার ও ফিটনেস সেন্টার
অপর্যাপ্ত আলো-বাতাস, আবদ্ধ কক্ষ, বেশি লোকের সমাবেশ এবং অনেকের ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি স্পর্শের কারণে ব্যায়ামাগার বা ফিটনেস সেন্টারগুলোও এখন ঝুঁকিপূর্ণ। কাজেই ব্যায়ামের প্রয়োজনীয় ছোটখাটো যন্ত্র বাসায় সংগ্রহ করে অনুশীলন করা গেলে সবচেয়ে ভালো হয়।

পর্যটনকেন্দ্র
পর্যটন স্পটগুলোয় এখন ভিড় না করাই ভালো। অধিক জনসমাগম এই জায়গাগুলোকেও ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে।

সামাজিক ও পারিবারিক অনুষ্ঠান
এ ধরনের জনসমাগমে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এ সময় বিয়ে, জন্মদিন, পার্টি বা এ রকম কোনো অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা থেকে বিরত থাকুন। কারও করোনার উপসর্গ থাকলে বা বিগত ১৪ দিনের মধ্যে সন্দেহভাজন রোগীর সংস্পর্শে এলে, যেকোনো অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকুন। জরুরি ভিত্তিতে কোনো আয়োজন করতে হলে যতটা সম্ভব লোকসমাগম কম করার চেষ্টা করুন।

লেখক: চিকিৎসা কর্মকর্তা,উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ডুমুরিয়া, খুলনা

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন