ঘুমানোর সাজপোশাক

বিজ্ঞাপন
default-image

ঘুম থেকে উঠেই শুরু হয় নতুন একটা দিনের। ঘুম যেন আরামের হয়, এ জন্য থাকে নানা আয়োজন। পরিষ্কার বিছানা, পরিপাটি করে চুল বাঁধা, দাঁত মাজা ইত্যাদি কাজ ঘুমানোর আয়োজনের মধ্যেই পড়ে।

ঘুমের পোশাকটাও হওয়া উচিত আরামের। পোশাক ঠিক না হলে ঘুমের জন্য সেটা টেনে আনে বিপত্তি। আঁটসাঁট বা বেশি কাজ করা পোশাকে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটবেই। দরকার ঢিলেঢালা কাট আর আরামদায়ক কাপড়ের যোগ।

default-image

বরাবরই একটু সাদামাটা ধরনের শোবার পোশাকের চল দেখা যায় এ দেশে। তবে বৈশ্বিক ধারার মতো এখন ভিন্ন ধাঁচের শোবার পোশাক পাওয়া যাচ্ছে দেশেও। ক্লাব হাউসের ডিজাইনার জামান মির্জা বলেন, আরামদায়ক উপকরণে তৈরি বৈচিত্র্যময় ঘুমানোর পোশাকের দিকে ঝুঁকছেন অনেকেই। একক পোশাক কিংবা সেট, দুই ধরনের পোশাক কিনতে পাওয়া যায়। একই প্রতিষ্ঠানের মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ সুমাইয়া ইসলাম যোগ করলেন, পোশাকের গলার নিচের দিকটা একটু বড় হতে পারে। ভি গলা, গোল গলা, পাশ্চাত্য ধাঁচের লম্বা গলা, বোট নেক, নানা ধাঁচের গলা হতে পারে। ছোট লেস নিয়ে আসবে বাড়তি শোভা। গাউনজাতীয় পোশাকের সঙ্গে আলাদা প্যান্ট বা পাজামা না পরলেও চলে। হাঁটুর নিচ পর্যন্ত আসবে, এ রকম লম্বাটে টি-শার্টও পরতে পারেন শোবার সময়। বিশেষ করে যাঁরা বাসায় গেঞ্জি বা টি-শার্ট পরে অভ্যস্ত, তাঁদের জন্য এটি ভালো। চাইলে এটার সঙ্গে ট্রাউজার পরতে পারেন। টপের সঙ্গে পরার জন্য পালাজ্জো বা ঢিলে কাটের প্যান্টের মধ্য থেকে বেছে নিতে পারেন যেকোনোটি। শার্ট ও পাজামার সেটও বেছে নিতে পারেন। হাতাকাটা পোশাকে মিলবে আরাম। সঙ্গে থাকতে পারে হালকা কটি।

default-image

খাঁটি সুতি, মিশ্র সুতি, সুতি-ভিসকস, সুতি-লিনেন, লিনেন-ভিসকস, নিট কাপড়ের পোশাকগুলোতে আরাম পাবেন। একটু ছোট হাতার পোশাকের খোঁজ পাওয়া গেল বাজারে। হাতার নিচে একটু ঢোলা কিংবা জামাটা বেশ ঢোলা, এমন পোশাকও মিলবে। কুঁচির ব্যবহার রয়েছে পোশাকে। চেক কিংবা ডোরাকাটা নকশার পোশাক আছে বেশি। পোশাকে ব্লক প্রিন্ট, এমব্রয়ডারি, টাই-ডাই, হ্যান্ড পেইন্টের ব্যবহারও দেখা গেল বিভিন্ন ফ্যাশন হাউস আড়ংয়ে। কাপ্তান পাবেন অরণ্যতে। এ ছাড়া বঙ্গবাজার আর দোজা মার্কেট তো রইলই। বাজারের কোনো পোশাকে পাবেন সাদার শুভ্রতা। কোনোটিতে একাধিক রং। কোনো পোশাকে আছে ফ্লোরাল মোটিভ, কোনোটিতে থাকছে লেস, কোনোটিতে নকশা হিসেবে থাকছে বোতামের ব্যবহার।

default-image
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন