বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশ দলকে শুভেচ্ছা জানাতে ঢাকাসহ সব কটি জেলায় ‘চলো বাংলাদেশ’ নামে যৌথভাবে দারুণ এক আয়োজন করেছিল গ্রামীণফোন ও প্রথম আলো। এই আেয়াজনে একসঙ্গে সবাই ‘চলো বাংলাদেশ...’ গান গেয়ে ক্রিকেট দলকে শুভেচ্ছা জানায়। এখানে থাকছে কয়েকটি জেলার আয়োজন।

default-image

বিশ্বকাপ ক্রিকেট শুরুর আগের দিন ১৩ ফেব্রুয়ারি বিকেল হতেই ‘চলো বাংলাদেশ’ ধ্বনিতে প্রকম্পিত হয়েছিল সারা বাংলাদেশ। ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে শুরু—ক্রিকেটপ্রেমীদের সেই উল্লাস মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে পঞ্চগড় শিল্পকলা একাডেমী থেকে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, সিলেট ইনডোর স্টেডিয়াম থেকে সাতক্ষীরা শিল্পকলা একাডেমী। লাখো ক্রিকেটভক্তের কণ্ঠে উচ্চারিত ‘চলো বাংলাদেশ’ ধ্বনি নিশ্চয়ই পৌঁছে গেছে সাত সমুদ্দুর তেরো নদীর পারে অস্ট্রেলিয়ায়, মাশরাফি-সাকিব-মুশফিকদের কাছে।
ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলকে শুভেচ্ছা জানাতে ‘চলো বাংলাদেশ’ নামে এই অনুষ্ঠানের (ফ্যান ইভেন্ট) আয়োজন করেছিল গ্রামীণফোন ও প্রথম আলো। প্রথম আলো বন্ধুসভার সহায়তায় এই অনুষ্ঠান হয়েছে দেশের সব কটি জেলাতে একই সঙ্গে। 

সেসব অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন স্থানীয় ক্রীড়াবিদসহ বিশিষ্টজনেরা। আবার ঢাকার মূল অনুষ্ঠানটি বিকেল সাড়ে চারটা থেকে সরাসরি বড় পর্দায় দেখানো হয় ৬৪টি জেলায়, যা সরাসরি সম্প্রচার করে ১৩টি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল—চ্যানেল আই, এনটিভি, মাছরাঙা, বাংলাভিশন, বৈশাখী টিভি, চ্যানেল নাইন, এশিয়ান টিভি, মাই টিভি, ইটিভি, আরটিভি, এটিএন নিউজ, যমুনা টিভি ও জিটিভি।

ঢাকার অনুষ্ঠান শুরু হয় বেলা তিনটায়। এর অনেক আগেই দর্শকদের বিশাল সারি ছড়িয়ে পড়ে স্টেডিয়ামের চারপাশে। কথা হয় তেজগাঁও কলেজের রেজাউল ইসলামে সঙ্গে, ‘আমরা সাতজন বন্ধু টাইগারদের শুভেচ্ছা জানাতে এসেছি। আমরা চাই টাইগাররা তাঁদের শ্রেষ্ঠ খেলা খেলুক।’

অনুষ্ঠানের মূল পর্বে ব্যান্ড দল শূন্য গানে দর্শক মাতিয়ে রাখে। সাড়ে চারটায় দেশের গান নিয়ে একে একে মঞ্চে আসেন সৈয়দ আব্দুল হাদী, আবিদা সুলতানা, পার্থ বড়ুয়া ও আইয়ুব বাচ্চু। তাঁদের গানে লাল-সবুজ পতাকা হাতে মঞ্চে নৃত্য পরিবেশিত হয়। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে গান পরিবেশন করে ব্যান্ড দল নেমেসিস।


গানের পর বাংলাদেশ দলকে শুভেচ্ছা জানাতে একে একে মঞ্চে আসেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক তারকাসহ সেসব তারকা, যাঁরা পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশকে উজ্জ্বল করেছেন। এরপর মঞ্চে আসেন মুশফিকুর রহিমের বাবা, এনামুল হকের বাবা–মা, নাসির হোসেনের বাবা–মা, তামিম ইকবালের মা, তাসকিনের বাবা–মা। স্টেডিয়ামের সব দর্শক দাঁড়িয়ে তাঁদের শুভেচ্ছা জানান। পরে তাঁদের হাতে শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দেন প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান ও গ্রামীণফোনের প্রধান করপোরেট কমিউনিকেশন কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান।

বিজ্ঞাপন
জীবনযাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন