জাপানি খাবার
১ থেকে ৩ জানুয়ারি সেসিরাগি রেস্তোরাঁর আয়োজনে চলবে জাপানি খাবার উৎসব। ঢাকার উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরে ১৩ নম্বর সড়কে ১৩ নম্বর বাড়িতে তাদের ঠিকানায় চলবে এটি।

নতুন শাখা
ঢাকার তেজগাঁও-গুলশান লিংক রোডে চালু নাদিয়া ফার্নিচারের নতুন শাখা।। ১৯১/এ বাড়ির ২য় ও ৩য় তলায় মোট সাত হাজার বর্গফুট জায়গাজুড়ে সাজানো হয়েছে এটি। ২৬ ডিসেম্বর এর উদ্বোধন করেন প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ করিম মজুমদার। এখানে আবাসিক ভবনের আসবাবপত্র ছাড়াও কিচেন কেবিনেট ও অফিসের যাবতীয় আসবাব মিলবে। নাদিয়া ফার্নিচারের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা নয়ন জাহিদ বলেন, ‘এর আগে আমাদের শোরুমে শুধু ঘর সাজানোর আসবাবপত্র পাওয়া যেত। কিন্তু নতুন এই শাখার মাধ্যমে আমরা নিয়ে এসেছি অফিস সাজানোর সব ধরনের আসবাব।’ সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকছে দোকান।

default-image

ফ্যাশন বনভোজন
২৪ ডিসেম্বর হয়ে গেল ফ্যাশন ডিজাইনার, অভিনয়শিল্পী, মডেল, সাংবাদিকদের আয়োজনে ফ্যাশন প্যাশন শিরোনামে বনভোজন। গাজীটপুরের পুবাইলে জল ও জঙ্গলের কাব্য রিসোর্টে সারা দিন ধরে চলে এ আনন্দ আয়োজন। নানা পদের পিঠা, রুটি, ভাত, সবজি, মাছ, মাংসের পদ ছিল খাবারের তালিকায়। বালিশ খেলা, অভিনয় ইত্যাদি তো ছিলই। বনভোজনের সার্বিক আয়োজনে ছিলেন ফ্যাশন ডিজাইনার বিপ্লব সাহা এবং রূপবিশেষজ্ঞ কাজী কামরুল ইসলাম ও আফরোজা পারভীন।

অন্দরসাজ
অন্দরসাজে কাঠের ব্যবহার নিয়ে হয়ে গেল এক আলোচনা অনুষ্ঠান। ১৮ ডিসেম্বর ঢাকায় এ অনুষ্ঠানে অংশ নেয় অন্দরসজ্জার নানা প্রতিষ্ঠান। এতে বক্তা ছিলেন জার্মানির অন্দরসজ্জাবিদ মার্টিন সানজ। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেন প্যাসিফিক ওয়ান স্টপ ইন্টেরিয়র সলিউশন।

কেনাকাটায় ছাড়
জিনাত ফ্যাশন দিচ্ছে কেনাকাটায় ছাড়। ঢাকার বনানী ১১ নম্বর সড়কে তাদের ঠিকানা। এখানে পাবেন শাড়ি, সালোয়ার কামিজ, লেহেঙ্গা ইত্যাদি পোশাক।

বিয়ের আয়োজন
ওয়েডিং ডেকোর বাই নুসরাত
গায়ে হলুদের গয়না ও রাখি কেনায় ছাড় দিচ্ছে ওয়েডিং ডেকোর বাই নুসরাত। ৩১ ডিসেম্বর এ সুযোগ পাবেন। ফেসবুক: fb.com/weddingdecorbynushrat
ওয়েডিং বাংলাদেশ
বিয়ের ছবি তোলা ও ফটোবুক তৈরিতে ছাড় দিচ্ছে ওয়েডিং বাংলাদেশ। ওয়েবসাইট: fb.com/weddingdecorbynushrat

default-image

চালু হলো মাদল
উদ্বোধন ফিতে কেটে নয়, ঢোলের বাড়িতেই হলো। ঢাকার পশ্চিম পান্থপথে ৫৬/৪ ঠিকানায় চালু হলো নতুন দোকান মাদল।
শাড়ি, পাঞ্জাবি, সালোয়ার-কামিজ, শাল, গয়না, ব্যাগ সবই পাবেন এখানে। বাড়তি পাওনা হলো নানা রকম পিঠা, মিষ্টি, মসলা ও নানা রকম ফল। কেনাকাটা করে একটু বিশ্রামও নিতে পারবেন। সেই ব্যবস্থাও আছে।
টাঙ্গাইলের নানা রকম শাড়ির বেশ বড় সংগ্রহ এখানে। রাঙামাটি থেকে সরাসরি নিয়ে আসা হয়েছে কিছু শাড়ি। ব্লকপ্রিন্ট আর বাটিকের সংগ্রহও আছে। শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে নানা রকম ব্যাগ আরও গয়না তো আছেই। দামটা হাতের নাগালেই। মাদলের উদ্যোক্তা মাসুমা খাতুন বললেন, ‘সামনে জামদানি শাড়ি আনারও ইচ্ছা আছে।’
এখানে আরও পাবেন বই ও সিডি। বাংলাদেশি ও ভারতীয় উচ্চাঙ্গসংগীতের শিল্পীদের সিডির বড় সংগ্রহ আছে এখানে। আরও আছে রবীন্দ্রসংগীত ও আধুনিক গানের সংগ্রহ।
২৫ ডিসেম্বর মাদলের উদ্বোধনী দিনে এসেছিলেন রূপবিশেষজ্ঞ কানিজ আলমাস খান, চিত্রনায়ক ফেরদৌস, ক্রিকেটার নাসির হোসেন, প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান, কথাসাহিত্যিক আনিসুল হক প্রমুখ।

বিজ্ঞাপন
জীবনযাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন