বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ক্র্যানবেরি জুস: ক্র্যানবেরি একধরনের লাল রঙের জামজাতীয় ফল। গবেষণায় প্রমাণিত যে এই ক্র্যানবেরি মূত্র সংক্রমণ দূর করতে খুব সহায়ক। ফলটিতে প্রচুর বেটা ক্যারোটিন, লাইকোপেন ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে। ক্র্যানবেরি শুকনো ফল ও জুস—দুভাবেই পাওয়া যায় ও উপকারী।

ব্রকলি: প্রচুর ভিটামিন সি আছে ব্রকলিতে, যা মূত্রকে অ্যাসিডিক করে ইনফেকশনের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে বাধা দেয়। ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে সংক্রমণ দূর করে।

দারুচিনি: অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদানের কারণে শত শত বছর ধরেই দারুচিনি সমাদৃত। এটি শরীরে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বেড়ে উঠতে বাধা দেয়। এক গবেষণায় জানা গেছে, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মূত্র সংক্রমণ হওয়ার জন্য দায়ী ই. কোলি ভাইরাস প্রতিরোধ করে দারুচিনি।

পেঁপে: প্রচুর ভিটামিন সি আছে বলে পেঁপে শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় ও মূত্রে অ্যাসিডিটি বাড়ায়। যে কারণে সংক্রমণ তৈরিতে দায়ী ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে না। কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে, গাজর ও টমেটোর চেয়েও তিন গুণ ভালো ক্যারোটিওয়েড থাকে পেঁপেতে।

রসুন: রসুনে অ্যালিসিনসহ বেশ কিছু উপকারী উপাদান থাকে, যা অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল ও রোগ প্রতিরোধ বাড়াতে বেশ ফলদায়ক। ই. কোলিসহ অনেক ব্যাকটেরিয়াকে দমন করতে পারে রসুন। বারবার ফিরে আসা মূত্র সংক্রমণ রোধেও রসুন বেশ উপকারী। কাঁচা রসুন খেলে উপকার বেশি পাওয়া যায়।

জীবনযাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন