default-image

নিয়মিত খাওয়াদাওয়া, রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যাওয়া এবং গঠনমূলক জীবন যাপন করুন। এতে আপনার জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। পাশাপাশি মানসিক অসুস্থতার আশঙ্কাও কমে যাবে। কানাডার একদল গবেষক সম্প্রতি এসব কথা জানিয়েছেন। তাঁদের গবেষণা প্রতিবেদনটি ই-লাইফ নামের একটি অনলাইন সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ের মানসিক স্বাস্থ্য গবেষক কাই-ফ্লোরিয়ান স্টর্চ বলেন, অভ্যন্তরীণ জৈব ঘড়ির সাহায্যে মানুষের দৈনন্দিন ঘুম ও জাগরণের চক্রটি নিয়ন্ত্রিত হয়। পাশাপাশি চার ঘণ্টার একটি ছন্দও রয়েছে। নিত্যদিনের কাজকর্ম এবং ডোপামিন নামের একটি হরমোন সেই ছন্দকে প্রভাবিত করে। ডোপামিন হচ্ছে মানবমস্তিষ্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যার ভারসাম্য বিঘ্নিত হলে সেই ছন্দটি ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত দীর্ঘায়িত হতে পারে। ফলে অনিদ্রাসহ নানা সমস্যার পরিণামে মানসিক অসুস্থতা দেখা দিতে পারে। আইএএনএস।

বিজ্ঞাপন
জীবনযাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন