default-image

বর্তমান পরিস্থিতিতে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ানোর দিকে অনেকেই মনোযোগ দিয়েছেন। সুস্থ থাকার গুরুত্ব ও পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ খাবার সম্পর্কে মানুষ এখন অনেক বেশি সচেতন। এ পরিস্থিতিতে সুপারফুড হিসেবে মধু অনেকেরই পছন্দের শীর্ষে রয়েছে। দেশের বাজারে খাঁটি মধু হিসেবে এসেছে স্যাফোলা ব্র্যান্ডের পিওর হানি।

গ্রাহকেরা তা বাজারে পাবেন। স্যাফোলা এই উপমহাদেশে অন্যতম বিশ্বস্ত একটি ব্র্যান্ড এবং স্বাস্থ্য বিষয়ে এর রয়েছে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা। মানুষের জীবনে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা অর্জনের যে চাহিদা, তা পূরণের লক্ষ্যেই স্যাফোলা যাত্রা শুরু করেছিল।

পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ মধু লিকুইড গোল্ড হিসেবেও পরিচিত। প্রকৃতির অনন্য দান মধু অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর। প্রাকৃতিকভাবে মধু রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বর্ধনকারী। কিন্তু বাজারে অনেক ধরনের মধু পাওয়া যায়। সেখান থেকে খাঁটি মধু নির্বাচন করা অনেক কঠিন।

রং, ঘনত্ব ও স্বাদ মধু নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি প্রথম আলো আয়োজিত ‘২৪ ক্যারেট মধু স্যাফোলা হান্ড্রেড পার্সেন্ট পিওর হানি’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে খাঁটি মধুর গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন বিআরবি হাসপাতাল লিমিটেডের পুষ্টিবিদ ইসরাত জাহান, ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেডের মার্কেটিং ডিরেক্টর অ্যালেন ইবেনজার এরিক। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন চিকিৎসক শ্রাবণ্য তৌহিদা।

বিজ্ঞাপন

খাঁটি মধুর উপকারিতা প্রসঙ্গে পুষ্টিবিদ ইসরাত জাহান বলেন, ‘পুষ্টি উপাদানে ভরপুর মধু। পুষ্টিবিদ হিসেবে এটাকে ওষুধ হিসেবেই দেখি। পুষ্টিগুণের পাশাপাশি এর অ্যান্টি–অক্সিডেন্টের কথা বলা যায়। রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে অ্যান্টি–অক্সিডেন্টযুক্ত খাবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মধুতে ভিটামিন, আয়রন থেকে শুরু করে দৈনন্দিন কাজের উপযোগী নানা পুষ্টিগুণ আছে। এ ছাড়া সংক্রমণ প্রতিরোধী অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদানও আছে এতে। টাইপ টু ডায়াবেটিস থেকে শুরু করে করোনারি হার্ট ডিজিজ, কিডনি বা ফ্যাটি লিভারের মতো নানা সমস্যায় খাঁটি মধু উপকারী। যাদের হজমে সমস্যা আছে, তাদের জন্যও মধু দরকারি। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়।

ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেডের মার্কেটিং ডিরেক্টর অ্যালেন ইবেনজার এরিক বলেন, মানুষ এখন স্বাস্থ্যের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। তাই মধু গুরুত্বপূর্ণ। স্যাফোলা হানি শতভাগ খাঁটি এবং এতে কোনো অতিরিক্ত চিনি নেই। স্যাফোলা হানির প্রতিটি ব্যাচ বিশ্বের অন্যতম সর্বাধুনিক প্রযুক্তি এনএমআরে (নিউক্লিয়ার ম্যাগনেটিক রিজোন্যান্স) সেরা আন্তর্জাতিক পরীক্ষাগারে পরীক্ষিত। সব ধরনের দূষণ রোধ করতে মৌচাক থেকে প্যাকেটজাত হওয়া পর্যন্ত স্যাফোলা হানিকে একটি ইউএসএফডিএ নিবন্ধিত প্ল্যান্টে ছাঁকন প্রক্রিয়াসহ ৬০-এর অধিক গুণগত মান পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়।

ভেজাল মধু খাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করে পুষ্টিবিদ ইসরাত বলেন, ভেজালযুক্ত মধু ক্ষতিকর। এতে পুষ্টির মান পূরণ হয় না বরং ওজন বেড়ে যায়। এ ছাড়া নানা স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়। এ জন্য ভেজাল বর্জন ও খাঁটি মধু চেনা গুরুত্বপূর্ণ। মধু বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বিশ্বস্ত ব্র্যান্ডের কথা মাথায় রাখতে হবে।

অ্যালেন ইবেনজার বলেন, ক্রেতাকে মধুর উৎস সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। মধুর প্রক্রিয়াকরণ, ফিল্টার, মান নিয়ন্ত্রণ ও প্যাকেজিংয়ের বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে। নানা পরীক্ষায় মান নিশ্চিত করা হয় বলে স্যাফোলা হানি খাঁটি।

সুস্বাস্থ্যের ভিত্তি হলো প্রতিরোধী ক্ষমতা আর তা শুরু হয় বিচক্ষণতার সঙ্গে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস থেকে। সবাইকে স্বাস্থ্যকর খাবার বাছাইয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানান অ্যালেন ইবেনজার এরিক।

জীবনযাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন