বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

খাদ্য চিন্তায় মগ্ন হয়ে গাড়ির সিটে গা এলিয়ে দিয়েছি। খিচুড়ির সঙ্গে বোনাস হিসেবে বেগুনভাজা থাকবে কি থাকবে না—এই তরল চিন্তার বায়বীয় বুদ্‌বুদ থেকে বের হতে পারছি না। সঙ্গে যদি টকটকে লাল টমেটোর ভেতর থেকে সবুজ কাঁচা মরিচ আর হালকা গোলাপি পেঁয়াজকুচিরা উঁকিঝুঁকি মারে, তাহলে তো আর কথাই নেই। শর্ষের তেলের ঝাঁজ নাকে এসে সপাটে আঘাত হেনে গেল যেন। হাতে স্টিয়ারিং থাকলে এতক্ষণে বেলাইনে গাড়ি চালিয়ে দিতাম নির্ঘাত।

বাঙালির হেঁশেল থেকে লোভাতুর মনটা বাঁকিয়ে চুরিয়ে বের করে এবার জার্মান অটোবানে এনে ছুড়ে ফেললাম। যাহাই জার্মান ‘অটোবান’, তাহাই ইংরেজি হাইওয়ে আর সেটাই বাংলায় মহাসড়ক। তবে অটোবানের একটা আলাদা রোমাঞ্চ আছে। আর সেটা হলো বেপরোয়া গতি। অটোবানের অনেক পথেই গতিসীমার মাত্রা নেই। হাঁকাও গাড়ি যত খুশি হেঁইয়ো। আর ডানে-বাঁয়ে ঘটছেও তাই। পাগলাটে খুনে গাড়িগুলো শাঁই শাঁই প্রায় উড়ে যাচ্ছে যেন। ঘণ্টায় দুই শ কিলোমিটার বেগে আমরাও চলছি। কিন্তু তৃপ্তি মেলার আগেই পাশ ঘেঁষে লাল ফেরারিটা ধূমকেতুর মতো মিলিয়ে গিয়ে বুঝিয়ে দিল গতির খেলা তার কাছে আমাদের সেকেন্ডহ্যান্ড কালো ভক্সওয়াগন এক বুড়ো কচ্ছপ বিশেষ।

বুড়ো কাছিমের পিঠেই না হয় পাড়ি দিলাম পথ। পেছনের সিটে ছয় বছরের ছেলেটা ঘুমে ঢুলুঢুলু। স্বছ লালার একটা স্রোত একবার গড়িয়ে নামছে তো আবার সুড়ুৎ করে ঠোঁটের ফাঁকে উল্টোরথ ধরছে। ছেলের বাবার সেই আয়েশের জো নেই। তাকে তীক্ষ্ণ চোখে, শক্ত হাতে গাড়ির হাল ধরে বসে থাকতে হচ্ছে। একমাত্র আমারই কাজ নেই। নিজেকে বিরাট কাছিমের পেটের অলস ডিম বলে মনে হচ্ছে। অবশ্য আলসেমিতে আগ্রহ ষোলোআনা। সঙ্গে করে ব্যবস্থাপাতিও কম আনিনি। সিটের নিচ থেকে কোল্ড কফির ক্যান বের করলাম ব্যাগ হাতড়ে। ঠান্ডা চুমুকে চারপাশটা দেখছি তাড়িয়ে তাড়িয়ে। শীতল আবেশের আয়েশি আবেগে চোখ বুজে আসছে প্রায়।

default-image

জানালার বাইরে ভুট্টাখেতের সারি। তারা যেন বাধ্য সেনাদলের মতো মাথা নুইয়ে আছে। গাড়ির কুচকাওয়াজ সরে গেলে আবার আরামে দাঁড়াবে সটান। আকাশটাও আজ দেখার মতন। এখানে ওখানে মেঘদল। কিছুটা হতবিহ্বল। বৃষ্টি হয়ে নামবে নাকি নীরবে সরে গিয়ে এক আকাশ রোদকে জায়গা করে দেবে—এই নিয়ে যেন বিরাট দ্বিধায় আছে। সেই সুযোগে দুষ্টু সূর্যটা মিষ্টি হাসছে ফাঁক পেলেই। দূরের শুভ্র উইন্ডমিলগুলো আস্তে আস্তে ঘুরে চলছে আপনমনে। তাদের স্পিনিং দরবেশ বলে ভুল হতে চায়। উইন্ডমিল নয়, যেন সাদা আলখেল্লা জড়িয়ে তুর্কি সুফির দল চক্রাকারে ঘুরছে উদ্বাহু। আকাশের মেঘ-রোদের লুকোচুরি, অটোবানের গাড়িঘোড়ার উন্মাদনা, কোনো কিছুই স্পর্শ করছে না তাদের। দশ দিগন্তের মাঝে দাঁড়িয়ে ঘূর্ণি ধ্যানে মগ্ন নির্বিকার, নির্নিমেষ।

মোক্ষলাভের নেশাটা পেয়ে বসেছিল। যদি না অতর্কিতে গাড়ির গতি কমে এসে ঝাঁকুনি না লাগাত। হালকা-পাতলা একটা দুর্ঘটনা ঘটেছে মনে হচ্ছে। গাড়ির সারিগুলো হ্যাজার্ড বাতি জানিয়ে আগাম জানা দিচ্ছে, ‘সামনে সাবধান’। অটোবানের দুর্ঘটনা অবশ্য হালকা-পাতলা হয় না। মোটাসোটা কিসিমেরই হয়। তীব্র গতির দুটো ধাতব যন্ত্র একে অন্যকে সামান্য ছুঁয়ে গেলেও ‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস’ কায়দায় উল্টে গিয়ে পাকের পর পাক খেয়ে কোনো দূরে পড়বে গোত্তা লেগে কে জানে। তেমন হলে ভেতরে আটক যাত্রী যন্ত্রযান থেকে এক লাফে স্বর্গযানে উঠে পড়েন আরকি। অটোবানের অভিধানে মাঝামাঝি বলে কিছু নেই। ‘হেল অর হাইওয়ে’।

কপাল ভালো। দোমড়ানো গাড়ি, ভাঙাচোরা যাত্রী আর প্যাঁ-পোঁ অ্যাম্বুলেন্স দেখতে হলো না। বিকল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা একটা নিরীহ চেহারার পোর্শে কনভার্টিবলকে তুলতে বিশালাকার রেসকিউ ট্রাক এসেছে। টেনে তোলার তোড়জোড় চলছে। আর তাতেই শ খানেক গাড়ির স্রোত থমকে গিয়েছে হঠাৎ।

default-image

২.

লাল-নীল-সাদা রেসকিউ ট্রাকের চেহারা যেমন বলিহারি, আকারও তেমনি দশাসই। এই বুঝি প্রকাণ্ড ধাতব দেহটা ধড়মড়িয়ে উঠে দাঁড়িয়ে যাবে। ট্রান্সফরমার সিনেমার অটোবট অপ্টিমাস প্রাইমের মতো মাথা নুইয়ে বলবে, ‘এই যে ছোট্ট বন্ধু, কী করতে পারি তোমার জন্য?’ তারপর জবাবের পরোয়া না করেই কনভার্টিবল আর তার মালিক—দুটোকেই ঘাড়ে তুলে কাছেপিঠের কোনো গাড়ি সারাইয়ের গ্যারেজ বরাবর রওনা দেবে লম্বা লম্বা পা ফেলে। দেখার মতো হতো দৃশ্যটা।

ভিড় সরে গেলে অচল গাড়ির বহর সচল হচ্ছে ধীরেসুস্থে। পাশের ক্যারাভ্যানটা ইঞ্জিন চালু করলে ঝমঝম শব্দে ঘাড় ঘুরিয়ে তাকালাম। ক্যারাভ্যানের ছাদে ছোট একটা ডিঙিনৌকা বাঁধা। আর ভ্যানের পেছনে আরও আটকানো গোটা দুই সাইকেল। জলে-স্থলে সব পথেই ভ্রমণ চলবে অবিরাম। ইচ্ছা হলো তো দুই চাকায় ভর দিয়ে খোলা প্রান্তরে চক্কর দিয়ে আসা যাবে। আবার এই মন বদলে গেল তো সাইকেল ফেলে বইঠা কাঁধে ছোট্ট ডিঙি জলে ভাসিয়ে দিলেই হলো। সন্ধে নাগাদ ফিরে এসে কাঠকুটো জ্বেলে দুটো ভুট্টা পুড়িয়ে খেতে খেতে খোলা আকাশে তারা গুনলেই–বা ক্ষতি কি। আর রাত ঘনিয়ে ঝিমুনি ধরে এলে হামাগুড়ি দিয়ে ক্যারাভ্যানের কামরায় সেঁধিয়ে গেলেই ওম ওম উষ্ণতায় শান্তির ঘুম।

কেন যে লোকে বাড়ি-গাড়ি কেনে। এমন একটা ক্যারাভ্যানের পেছনে পয়সা না ফেলে। মনে মনে ফন্দি এঁটে নিলাম, এই বাহন আমার চাই-ই চাই। বড়লোকি বাড়ি-গাড়ির টু-ইন-ওয়ান মধ্যবিত্ত সমাধান।

default-image

রাস্তা সামান্য ফাঁকা পেয়ে ভক করে কুণ্ডলী পাকানো ধোঁয়া ছেড়ে ক্যারাভ্যানটা চম্পট দিল। উড়ু উড়ু মনটাও তার সঙ্গে পালিয়ে যাচ্ছিল। কোনোমতে তাকে ফিরিয়ে আনলাম জায়গামতো।

সমান্তরালে এবার প্রমাণ সাইজের মাইক্রোবাস এসে হাজির। হ্যান্ড পেইন্ট করা চিত্তির বিত্তির তার চেসিস। রং চড়ানোতে তাতে দারুণ ভিন্টেজ লুক এসেছে। তবে সব ডিঙিয়ে পেছনের সিটে বসা ফ্রক পরা মেয়েটাকে চোখে পড়ল।

বয়স ১০ কি ১২ হবে। জানালার কাচে মুখ লেপ্টে দিয়ে এদিকে তাকিয়ে দেদার ভেংচি কাটছে কানের পেছনে হাত দুটো মেলে। মুচকি হেসে হাত নাড়তে গিয়ে খেয়াল হলো অস্বাভাবিকতাটা। গোলগাল চাপা মুখে ছোট্ট পুঁতির মতো বসানো চোখ আর সামান্য ঠেলে বেরোনো জিব। এ চেহারা বইয়ের পাতায় অনেক দেখেছি। পড়াশোনাটা জিন প্রকৌশল নিয়ে। তাই বলতে পারি মেয়েটার ২১ নম্বর ক্রোমোসোমের দুইটা কপির পাশে আরেকটা বাড়তি কপি আছে খুব সম্ভবত। একধরনের জেনেটিক ত্রুটি আরকি। এর নাম ডাউন সিনড্রোম। আর সে সংজ্ঞা মানলে তাকে শারীরিক আর বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীর কাতারে ফেলতে হয়। কিন্তু ছোট–বড় ত্রুটি এ জগতে কার নেই। বুদ্ধিশুদ্ধি কি নিজের ঘটেও খুব বেশি আছে। আর এত বুদ্ধি দিয়ে হবেও–বা কি। মনের সুখই যে আসল।
ভাবনাটা প্রমাণ করতেই যেন মেয়েটা তার প্রতি কোষের ৪৭টা ক্রোমোসোম কাঁপিয়ে খিলখিল হেসে উঠল। গাড়ির কাচটা জিব দিয়ে একটু চেটেও দিল হালকা। সে হাসিতে আমিও আমার ৪৬টা ক্রোমোসোম ঝাঁকিয়ে যোগ দিলাম প্রাণ খুলে। মাত্র একটা ক্রোমোসোমের হেরফেরে আমাদের আন্ত-গাড়ি আনন্দ বিনিময় কোথায় আটকাল না। পৃথিবীর সব শিশু স্বর্গীয়। আজকে থেকে গোমড়ামুখো বিজ্ঞানীদের দেওয়া ডাউন সিনড্রোমের নাম পাল্টে রাখলাম, ‘আপ সিনড্রোম’।

৩.

নব ঘুরিয়ে রেডিও ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। না ছাড়লেই ভালো হতো রেডিও। কারণ, শুরুতেই আতঙ্কের খবর। এই হাইওয়ের উল্টো পথে উল্কার বেগে ছুটে আসছে এক ‘গাইস্টারফারার’। ভুল করে কি ইচ্ছা করেই সে ওয়ান-ওয়ে রাস্তার রং-ওয়ে দিয়ে গাড়ি হাঁকিয়ে দিলে তাকে গাইস্টারফারার বা গোস্টরাইডার বলে। এখন মাননীয় ভুতুড়ে চালকের জন্য বাঁয়ের লেন খালি করে সব গাড়িঘোড়াকে ডান আর মাঝের লেনে সরে যেতে বলা হচ্ছে। আর সঙ্গে সঙ্গেই ইন্ডিকেটরের বাতি জ্বেলে গাড়িগুলোর ভেতর লেন বদলের হুড়োহুড়ি পড়ে গেল। গোস্টরাইডারের গুঁতোয় বেঘোরে প্রাণ খুইয়ে নিজেরাই গোস্ট বনে যাওয়ার কোনো মানে হয় না।

গাইস্টারফারার আর তার হঠাৎ আগমন দেখতে হলো না। তার আগেই পাশের হাইওয়েতে উঠে দম ছাড়লাম। তবে রেডিও শোনার আর মানে নেই। ইচ্ছা করে ভয়ের সংবাদ কে শোনে, ধুর! তার চেয়ে গান শোনা যাক। নচিকেতা, অঞ্জন দত্ত আর অনুপম রায়ের ভিড় ঠেলে ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’ তুলে নিলাম ড্যাশবোর্ডের দেরাজ থেকে। সেকেন্ডহ্যান্ড গাড়ির পুরোনো প্লেয়ার বারদুয়েক আপত্তি তুলে বাধ্য ছেলের মতো ঢোঁক গিলে নিল সিডিটা। দেরাজের আস্তাবল থেকে মুক্তি পেয়ে মহীনের ঘোড়াগুলিও সপাটে চাবুক ছুটিয়ে দিয়েছে। অদ্ভুত মাদকতা নিয়ে শুনছি,
‘ভেবে দেখেছো কি,
তারারাও যত আলোকবর্ষ দূরে
তারও দূরে
তুমি আর আমি যাই ক্রমে সরে সরে...।’

ক্রমে ক্রমে সরে আমরাও যে কখন গন্তব্যে পৌঁছে গেছি, খেয়ালই হয়নি। পাহাড়ের সমান্তরালে খণ্ড খণ্ড মেঘ ভেসে যেতে দেখে সংবিত হলো এতক্ষণে। স্টুটগার্ট উঁচুনিচু ঢালু শহর। মনে হয় যেন রোলার কোস্টারে চেপেছি। তবে পাহাড়ের সবুজ স্নিগ্ধতায় পথের শ্রান্তিতে ক্লান্ত হয়ে আসা মনটা আবার শান্ত হয়ে বসে।

বড় শহরের মতো এখানে কলকারখানা আছে বটে, তবে দঙ্গল বেঁধে নেই। আর কাঁধে কাঁধ ঠেকিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ইমারতের জঙ্গলও চোখে পড়ে না। বাড়িঘর সব ছড়িয়ে–ছিটিয়ে নিজেদের স্বকীয়তা টিকিয়ে রেখেছে। ওপর থেকে নিচে তাকালে লাল টালির বাড়িগুলোকে কোনো বিরাট শিশুর খেলনা লেগো বলে ভুল হয়।

default-image

পোস্টকার্ডের মতো নিখুঁত সাজানো শহর দেখে তার অতীত বোঝার উপায় নেই। এ শহর বোমার আঘাতে গুঁড়িয়ে চুরচুর হয়ে গিয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে। কিন্তু ঘুরে দাঁড়াতে জার্মানদের জুড়ি মেলা ভার। শহরে ঢোকার পথে পোর্শে, মার্সিডিজের ঝকঝকে হেডকোয়ার্টারগুলো দেখলে লক্ষ্মীর খবর বেশ টের পাওয়া যায়। ওদিকে সরস্বতীর পাল্লাটাও বেশ ভারী। স্টুটগার্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতি দেশজোড়া। বছরখানেক আগে এসেছিলাম একটা ওয়ার্কশপে। প্রমাণ দেখে গেছি কাছ থেকে।

ঢেউ তোলা ঢালু পথ পেরিয়ে শহরের প্রাণকেন্দ্রে পৌঁছালাম বটে, তবে খিদেয় প্রাণভোমরা বেরিয়ে যাওয়ার জোগাড়। ওদিকে গাড়ির নেভিগেশন এই শেষকালে বিগড়ে গেছে। ঠিকানায় না গিয়ে ভুলভাল এদিক–সেদিক নিয়ে যাচ্ছে। এলোমেলো পথ হাতড়ে অবশেষে ঝকঝকে এক দালানের নিচে দাঁড়ালাম। তিনতলার খোলা বারান্দা পেরিয়ে গরম খিচুড়ি আর ঝাল করে রাঁধা মাংসের ঘ্রাণ জোরসে নাকে ঝাপটা মেরে গেল। পুরো জার্মান মহল্লা বাঙালি হেঁশেলের ঝাঁজাল ঘ্রাণে মাতোয়ারা। মাতাল মাতাল লাগছে আমাদেরও।

মাতাল উদ্ধারে এগিয়ে এল বন্ধু দম্পতি মৌরি আপু-হাদি ভাই আর তাদের ছোট্ট ছানা নূর। আর দেরি না করে ধুপধাপ সিড়ি ভেঙে উঠতে লাগলাম রান্নার সুবাস বরাবর। তিনতলার খোলা দরজায় হুড়মুড়িয়ে হানা দিলাম পাঁচ দিনের অভুক্ত সৈনিকের মতো। টেবিলের লাল টমেটো আর সবুজ কাঁচা মরিচের হাতছানিতে মন আবেগে দ্রবীভূত। আর তো দেরি সয় না।

কিসের অটোকাহিনি, আর কিসের ভ্রমণ। ভোজন হলো বাঙালির ওয়ান অ্যান্ড অনলি বিনোদন। সালাদের বাটি বাগিয়ে, বেগুনভাজির থালা উড়িয়ে চিকন চালের খিচুড়ি আর গরুর মাংসের যুগলবন্দীতে স্বেচ্ছায় বন্দী হতে সময় লাগল না। চার ঘণ্টা ঠেঙিয়ে ‘জার্নি বাই কার’ আজকে পুরোটাই সার্থক।

* লেখক: গবেষক, ইনস্টিটিউট অব প্যাথলজি, স্কুল অব মেডিসিন, টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি মিউনিখ, জার্মানি

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন