বিজ্ঞাপন

রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত ‘রূপকল্প ২০২১’ ও ‘রূপকল্প ২০৪১’, ২০২৪ সালের মধ্যে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণ, জলবায়ু পরিবর্তন ও করোনার প্রভাব মোকাবিলা করে ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশের প্রচেষ্টার কথা অস্ট্রিয়ার প্রেসিডেন্টকে অবহিত করেন।

default-image

তিনি কোভিড-পরবর্তী পরিবেশবান্ধব অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারকে অগ্রাধিকার প্রদানের লক্ষ্যে গৃহীত ‘লিডারস’ প্লেজ ফর নেচার’ শীর্ষক উদ্যোগ (যা ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ নিউইয়র্কে উন্মোচন করা হয় এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীও এই উদ্যোগের একজন স্বাক্ষরকারী) গ্রহণের জন্য অস্ট্রিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রশংসা করেন। বাস্তুসংস্থান ও জলবায়ু সংরক্ষণ বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দিয়ে কোভিড-পরবর্তী অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে অস্ট্রিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে কাজ করতে বাংলাদেশ প্রস্তুত আছে বলে রাষ্ট্রদূত অস্ট্রিয়ার প্রেসিডেন্টকে অবহিত করেন।
বৈঠকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়েও আলোচনা হয়। অস্ট্রীয় প্রেসিডেন্টের প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত জানান যে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ ১ দশমিক ১ মিলিয়নের অধিক রোহিঙ্গাকে সাময়িক আশ্রয় প্রদান করেছে। তিনি রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের অনুরোধ জানান।
রাষ্ট্রদূত মুহিত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পক্ষে অস্ট্রিয়ার প্রেসিডেন্টকে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

default-image

পরিচয়পত্র হস্তান্তর অনুষ্ঠানে অস্ট্রিয়ার সামরিক বাহিনীর একটি চৌকস দল বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতকে সম্মানসূচক গার্ড অব অনার প্রদান করে।
তথ্য: হাসান তামিম, ভিয়েনা

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন