বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তবে এ ভ্রমণে বিদেশফেরত অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক ও স্থায়ী বাসিন্দাদের জন্য বাধ্যতামূলক ১৪ দিনের হোটেল কোয়ারেন্টিন থাকছে না। হোটেলের বদলে বাড়িতে কোয়ারেন্টিনে থাকার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এজন্য অবশ্য সম্পূর্ণ টিকাও গ্রহণ করতে হবে। সম্পূর্ণ টিকা থাকলে সরকারের নির্ধারিত বিমানের বাইরে বাণিজ্যিক বিমানেও চলাচলের অনুমতি পাওয়া যাবে। পাশাপাশি নিউজিল্যান্ডসহ নির্দিষ্ট কয়েকটি দেশে ভ্রমণের ক্ষেত্রে কোয়ারেন্টিনের প্রয়োজনও থাকবে না। তবে সম্পূর্ণ টিকা গ্রহণ না করেও ছাড় পাবে ১২ বছরের কম বয়সীরা।

সীমানা খুলে দেওয়ার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন বলেন, ‘আমরা মনে করছি, অস্ট্রেলিয়ানদের তাঁদের জীবন ফিরিয়ে দেওয়ার সময় এসেছে। আমরা একসঙ্গে অনেক জীবন বাঁচিয়েছি। এখন আমরা একসঙ্গে কাজ করব যেন আমরা সে জীবনে ফেরত যেতে পারি, যে জীবন এদেশে এককালে আমরা উপভোগ করতাম।’

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন