বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভ্যাক্সার: আমরা আসলে বুঝতে চাইছি, তোমাদের অ্যাজেন্ডা কী। কী কারণে কোভিড বা টিকাবিরোধী।
অ্যান্টিভ্যাক্সার: তোমরা জাগো, মানবতাকে বাঁচাও। একটা দিনমজুরের মধ্যে যে মানবিকতা আছে, তোমাদের মধ্যে তা-ও নেই।

ভ্যাক্সার: কীভাবে নেই, মানবতা তো তাদেরই, যারা জীবন বাঁচাতে কাজ করে। তোমরা এর বিপক্ষে, মানে মৃত্যু চাও। আমরা তো চেষ্টা করছি। তোমরা তো ঘরে বসে থাকো। মৃত্যুকে আলিঙ্গন করছ। আমরা বাঁচার চেষ্টা করছি। আল্লাহ বলেছেন, চেষ্টা করতে।

অ্যান্টিভ্যাক্সার: কোভিড ভুয়া প্রমাণিত হয়ে যাবে, তোমাদের সায়েন্স ভণ্ড প্রমাণিত হবে, করোনা প্রোপাগান্ডা যদি সত্য প্রমাণিত হয়, সেদিন লজ্জায় কোথায় লুকাবে, এখন থেকে ভাবো। লজ্জা লুকাতে পারবে?
ভ্যাক্সার: তোমরা ষড়যন্ত্রভীতির মধ্যে ঢুকে গেছ, সারাক্ষণ ভয়ের মধ্যে থাকো।
অ্যান্টিভ্যাক্সার: আমরা ভয়ের মধ্যে থাকলে তোমাদের মতো মাস্ক পরে থাকতাম। সত্যি বলতে, সত্য আমাদের ভয়হীন করেছে, যেটা তোমাদের চোখে ষড়যন্ত্র। এসব ব্যাপার একদম দিবালোকের মতো পরিষ্কার, কিন্তু তোমরা দেখবে না।

ভ্যাক্সার: তুমি টিকা না নিলে তোমার বাসার অন্যদের নিতে দাও, তুমি এই যুদ্ধে শহীদ হও, কিন্তু তাদের বাঁচতে দাও।

অ্যান্টিভ্যাক্সার: তারাও বুঝে টিকার নামে কী চলছে, আমি তাদের আমার কথায় প্রভাবান্বিত হতে না করছি, নিজের মাথা খাটাতে বলছি। তোমাদেরও তা-ই বলি।
ভ্যাক্সার: তুমি মাইক্রোবায়োলজিস্ট, টিকা নিয়ে নাও, পরে আমাদের বলবে, আমরা তোমাকে সতর্ক করিনি।

অ্যান্টিভ্যাক্সার: এটা তোমরা নাও, তোমরা ভিতু। আমি ৯৯ শতাংশ মাইক্রোবায়োলজিস্টের বিপক্ষে কথা বলছি, একজনকেও পাইনি যে আমার কথাগুলোর মূল্যায়ন করবে। এখনো সময় আছে, সময় কিন্তু বেশি নেই। তোমরা যা করছ, সে অনুসারে কর্মফল পাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকো।

ভ্যাক্সার: এবার শীত আসার আগে টিকা নিয়ে নাও। করোনা আবার আসতে পারে।
অ্যান্টিভ্যাক্সার: হা হা, গত শীতে কিছুই হয়নি, মৃত্যুহার অনেক কম ছিল। যা ছিল অন্যান্য রোগে মারা গেছে আর তোমরা মেইন স্ট্রিম মিডিয়া প্রচার করলে, কোভিডে মারা গেছে। ঠিক একই মুলা এবারও ঝোলাবে। মানুষ জাগছে, মুলা ঝোলানো থেকে বের হচ্ছে সবাই।

ভ্যাক্সার: আমার কাছের আত্মীয় মারা গেছে আর তুমি বলো কিছুই হয়নি, এটা জোকস নাকি?
অ্যান্টিভ্যাক্সার: এগুলো সব মিডিয়ার প্রোপাগান্ডা। তোমরা মিডিয়া কন্ট্রোল করছ। তোমাদের জন্য কেউ তো মেইন মিডিয়াতে আসতে পারছে না, সত্য আনতে পারছে না, ব্লক করে দিচ্ছে (সে ফেসবুক থেকে কয়েকবার ব্লক খাইছে)। মানুষ ভ্যাকসিন নিতে চায় না, সার্টিফিকেট নেওয়ার জন্য দৌড়াচ্ছে, তোমরা ভ্যাকসিন পাসপোর্ট চালু করছ, সবাইকে কন্ট্রোল করতে চাচ্ছ।

ভ্যাক্সার: তথ্য দাও, এসব মিডিয়ার সৃষ্টি।
অ্যান্টিভ্যাক্সার: সত্য কখনো চাপা থাকে না, আস্তে আস্তে সব বের হচ্ছে।
সে গাজীপুরে পোশাক কারখানায় টিকা নিয়ে গণহারে অসুস্থতার কথার পত্রিকার লিংক দেয়।

ভ্যাক্সার: এ রকম কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনার জন্য তো করোনা বা ভ্যাকসিনের সব অর্জনকে ফেলে দিতে পারো না। করোনা প্রোপাগান্ডা বলতে পারো না। খাবার খেয়েও তো অনেক অসুস্থতার কাহিনি আছে (ইতিপূর্বে পত্রিকায় প্রকাশিত), কেন অসুস্থ হলো বলা তো কঠিন। দেশে তো দেখছি লোকজন ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য দৌড়াদৌড়ি করছে, ভ্যাকসিন পাচ্ছে না।

অ্যান্টিভ্যাক্সার: বাংলার মানুষের একটাই কথা, ‘ভাই নিতে চাই না, কিন্তু বাসা থেকে তো বের হতে পারব না।’ মানুষ ভয়ে নিচ্ছে। সত্য কথা বলতে আমাদের রাস্তায় বের হয়ে আসতে হবে। সত্য তো সত্যই, কাপুরুষেরা মরে বারবার, বীর একবারই। জন্ম সার্থক হলেই এ জীবন সফল। কোভিড ২০০০ সালের পেটেন্ট করা। ভ্যাক্সিনের নামে ন্যানোচিপ শরীরে প্রবেশ করানো হচ্ছে। তোমরা যারা ভ্যাকসিন নিয়েছ, তারা প্লাগড হয়ে গেছ, তোমরা আর তোমাদের মধ্যে নেই। তোমরা আমেরিকা, রাশিয়া, চায়নার স্যাটেলাইট দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। ফাইভ-জি চালু হলে এ চিপের মাধ্যমে তোমরা সরাসরি স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযুক্ত হবে। ওরা যেদিকে ঘুরাবে, তোমরাও সেদিকে ঘুরবে।

তোমরা ট্রান্সহিউম্যান, আমরা এখনো মানুষের কাতারে আছি। আর এই চিপের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় মানুষ মারা যাচ্ছে। বিল গেটস অনেক আগেই ভ্যাক্সিনেশনের মাধ্যমে পপুলেশন নিয়ন্ত্রণ করার কথা বলেছিলেন। মানুষ মরছে টিকা নিয়ে, সেটা বন্ধ করো, মানবতাকে বাঁচাও। মানবতার যুদ্ধে, মুক্তির যুদ্ধে শামিল হও, রাজাকারের খাতায় নাম লিখিও না।

তার এমন কল্পকাহিনি শুনে রাগে-ক্ষোভে কেউ কেউ গ্রুপ ত্যাগ করে।
ভ্যাক্সার: এত কিছু ঘটছে অথচ গোটা বিশ্বের লোক ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়ছে, কেউ প্রতিবাদ করছে না? বাংলাদেশেও কেউ প্রতিবাদ করল না। কিছুদিন আগে দেখলাম, নূররা ভ্যাকসিনের জন্য রাজু ভাস্কর্যের সামনে সমাবেশ করলেন।
অ্যান্টিভ্যাক্সার: বাংলাদেশ সরকারকে ৫০ মিলিয়ন ডলার দিয়েছে কোভিড প্রোপাগান্ডা বাস্তবায়ন করার জন্য। সব হচ্ছে আন্তর্জাতিক চক্রান্ত। তোমরা এই যুগের ধর্মযাজক।

তোমাদের কথাই এখন আইন। সময় তার রিটার্ন নেবে। আমরা মধুর মধ্যে বিষ খাওয়ানোর লোক না, কারা মানবতার লোক, কাজেই প্রমাণিত হচ্ছে। ট্রিলিয়ন ডলার কারা ব্যবসা করছে, সবাই দেখছে।

ভ্যাক্সার: আবার ব্যবসার গন্ধ কেন, তারা তো চিপ ঢোকাচ্ছে। তুমি চিপ থেকে এখন ব্যবসায় গেলে কেন?
অ্যান্টিভ্যাক্সার: অনেকগুলো অ্যাজেন্ডা আছে, এগুলো তোমরা বুঝবে না। তারা টাকাও খাবে, মারবেও।

ভ্যাক্সার: কী তথ্য-উপাত্ত আছে? মনগড়া কথা বোলো না। বিশ্ব তথ্য-উপাত্ত নিয়ে চলে।
অ্যান্টিভ্যাক্সার: ভ্যাক্সিন নেওয়ার পর ব্লাড ক্লটিং বা অন্য কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় মারা যাওয়ার নিউজ শেয়ার করে, যেমন ‘নিউজিল্যান্ডে ফাইজারের টিকা নেওয়ার পর নারীর মৃত্যু’, কিন্তু কত মানুষ যে বেঁচে ফিরেছে ভ্যাক্সিন বা মাস্কের কারণে, তার কথা বলে না। একটা সময় ইসরায়েলে ৮৫-৯০ শতাংশ হাসপাতালে ভর্তির লোকই ভ্যাকসিনেটেড ছিল, তারও একটা লিংক শেয়ার করে। সত্যি এটা একটা ওয়ার্নিং। কারণ, ভ্যাকসিন কার্যকারিতা একটা সময় পর কমে যায়। আর তার জন্যই বুস্টার ডোজ চালু করেছে ইসরায়েল।

অ্যান্টিভ্যাক্সার হাতে গোনা কিছু লিংক দেয়, আর কয়েকজন বিজ্ঞানীর নাম দেয়, যাঁরা কোভিডকে ম্যানিপুলেটেড বলছেন বা কিছু ক্ষেত্রে ভ্যাকসিনের বিপক্ষে বলছেন; এই ভ্যাকসিন নিরাপদ না, তাড়াহুড়া করে বের করা হয়েছে বা নতুন ভেরিয়েন্ট তৈরি হবে ইত্যাদি। এসব অগোছালো লিংক দেখে আবার ভ্যাক্সারদের কেউ কেউ গ্রুপ ত্যাগ করে।

অ্যান্টিভ্যাক্সার: তোমাদের কত তথ্য-উপাত্ত লাগবে, আমি টেরাবাইট তথ্য–উপাত্ত নিয়ে বসে আছি।
ভ্যাক্সার: এগুলো কত পার্সেন্ট মোট তথ্য-উপাত্তের? ভ্যাকসিনের পক্ষে যে তথ্য-উপাত্ত আছে তার ০.০০০০০০০...১ শতাংশ হবে না। আমরা তথ্য-উপাত্ত দিলে তো তুমি সারা জীবন পড়ে শেষ করতে পারবে না।

অ্যান্টিভ্যাক্সার: তোমরা তো তথ্য-উপাত্ত বের হতে দাও না, আমি পারসোনালি তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করি, মানুষের সঙ্গে কথা বলি, তারা তো তোমাদের বিপক্ষে বলে, সেগুলো কি তথ্য-উপাত্ত না? আর তোমরা একটা মিথ্যা আর একটা মিথ্যা দিয়ে ঢাকো, তাই তোমরা তথ্য-উপাত্তের পাহাড় বানিয়েছ। তোমরা একেক সময় একেক কথা বলো। কখনো বল মাস্ক পরা যাবে না, আবার বলো যাবে। কখনো বলো আইভারমেকটিন খাওয়া যাবে, আবার বলো যাবে না। সায়েন্স কি তা-ই, যখন যা বলো তা-ই মানতে হবে?
ভ্যাক্সার: কুল প্লিজ, ওয়েট অ্যান্ড সি।

অ্যান্টিভ্যাক্সার: থিওরি অব এভরিথিং, অনেক ব্যাপার আছে, কিন্তু বলতে পারছি না। ওই যে বললে, ওয়েট অ্যান্ড সি, কী ধরা খাবে, সময় বলে দেবে। তখন আর ফিরে আসতে পারবে না। করোনার টিকা ফেলে দিচ্ছে জার্মানি (মেয়াদোত্তীর্ণ বলে), কেউ নিতে চাচ্ছে না। মানবিকতার জায়গা থেকে আমার জানানো দরকার ছিল, তাই জানালাম। তোমরা মানলে মানো আর না মানলে নাই, আমি ভারমুক্ত হলাম।

ভ্যাক্সার: সারা বিশ্বে প্রতিদিন কত খাবার নষ্ট হয় জানো? এটা একটা প্রোডাক্ট, মেয়াদোত্তীর্ণ বলে ফেলে দিতেই পারে। হ্যাঁ, এখন শুনছি বুস্টার ডোজ দিতে হবে, তো আমাদের কন্ট্রোল যদি তারা নিয়ে নেয়, তবে আর কত চিপ ঢুকাবে, কত কন্ট্রোল দরকার তাদের?
অ্যান্টিভ্যাক্সার: অনেক অনেক অ্যাজেন্ডা আছে, তোমরা বুঝবে না, বুঝতে গেলে অন্য লেভেলের স্টাডি করতে হবে। ধোলাইখালের স্ক্রুড্রাইভার দিয়ে টেসলার গাড়ি খুলতে যাওয়া যেমন বোকামি, তেমনি এসব ব্যাপার বুঝতে যাওয়াও বোকামি। আমিও অনেক কিছু বুঝি না।

ভ্যাক্সার: যে ভালো বোঝে না, তার সঙ্গে বিতর্ক করার মানে হয় না, অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী।

অ্যান্টিভ্যাক্সার: তোমরা কি সব বোঝো?
ভ্যাক্সার: না, কিন্তু মেজরিটি লোকজন যা বুঝে, তাকে তো সম্মান করতে হবে। তোমাদের সংখ্যা তো অনেক কম। মেজরিটির পক্ষে থাকা দরকার। পাগলের সংখ্যা সব সময় কম হয়।

অ্যান্টিভ্যাক্সার: ৭ বেহেশত আর ৮ দোজখ, এই সব ভরবে কী দিয়া। তাহলে কি আমাজন মাইনরিটির সব পাগল?
ভ্যাক্সার: সব মাইনরিটিই পাগল না, কিন্তু সব পাগলই মাইনরিটি। তোমরা সব ভ্যাক্সফোবিয়াতে ভুগছ। সবই ইমাজিনেশন (কল্পনা)। তথ্য-উপাত্ত ছাড়া মনগড়া কথা বলা ঠিক না।

অ্যান্টিভ্যাক্সার: তোমাদেরও তো রোবটের মতো ইমাজিনেশন, সব প্রমাণ হয়ে গেল। আইনস্টাইন বলেন, জ্ঞান থেকে কল্পনা অধিক শক্তিশালী। এসব বুঝতে হেডম লাগে। আমরা অনেক কিছু ঘাঁটি, যা ইমাজিন করতে পারবে না। তোমাদের বায়োচিপ অ্যাকটিভেট হয়ে গেছে মনে হয়।

ভ্যাক্সার: আমাদের ইমাজিনেশন নেই কে বলল, আমরা ইমাজিনেশন আর প্র্যাকটিক্যাল নিয়ে থাকি। যারা শুধু কল্পনায় আছে, প্র্যাকটিক্যালে নেই, তাদের সঙ্গে নেই। তুমি ঠিক আছ তো, তোমারে নিয়ে আমরা চিন্তিত।

অ্যান্টিভ্যাক্সার: তোমাদের সায়েন্স সব ঝাড়ফুঁক করা বিশ্বাস করছে কেমনে, সেটা বলব? না থাক, এত লোড নিতে পারবে না, আরও সময় যাক। এখন এসব বোঝার সময় হয়নি। যেদিন মাটিতে নামবা, সেদিন বুঝবা। তোমরা যদি ভ্যাকসিন নিয়েও মাস্ক পরে মৃত্যুর ঝুঁকিতে থাকো, তাহলে আমরা না নিয়েও অনেক নিরাপদ। এইটা বোঝার জন্য ম্যাট্রিক্স আনপ্লাগড হতে হবে।

ভ্যাক্সার: তুমি ট্রাম্পের সমর্থক? ইলেকশন নিয়ে কিছু বলো।
অ্যান্টিভ্যাক্সার: আমেরিকার ইলেকশন ভুয়া, ট্রাম্পকে হারানো হইছে। সব ম্যানিপুলেটেড। একটা আরেকটার সঙ্গে সম্পর্কিত।

এবার সে নিজেই বের হয়ে গেল। গ্রুপে আর কখনো আসেনি। এক বন্ধু গ্রুপে এসে আলোচনা করার জন্য একবার বলেছিল। সে একটা চার্ট দিয়ে বলেছিল, এই নে তথ্য-উপাত্ত । তুই তো জানিস, সে শুধু তথ্য-উপাত্ত চায়। এটা ওকে দিস। আমি আর গ্রুপে আপাতত যাব না।

ওই গবেষণায় দেখা যায়, ভ্যাকসিন নেওয়ার একটি নির্দিষ্ট সময় পর যখন এর কার্যকরিতা কমে যায়, ওই সময় ইনফেকশনের হার ভ্যাকসিনগ্রহীতার মধ্যে বেশি ছিল, তাই গ্রাফটা ওই নির্দিষ্ট সময়ে ঊর্ধ্বগামী থাকায় সে ধরে নিয়েছে ভ্যাকসিনগ্রহীতাদের ইনফেকশন বেশি হয়। কিন্তু ভ্যাকসিনগ্রহীতাদের ইনফেকশনের হার যে শুরু থেকে কম ছিল, সে খেয়াল করেনি। গবেষণাটির উপসংহারে মাস্ক ও ভ্যাকসিনের পক্ষে সুপারিশ ছিল। এটা নিয়ে বারবার আলোচনায় ডাকলেও আর তাকে আনা সম্ভব হয়নি।

বি.দ্র.: অ্যান্টিভ্যাক্সাররা ভ্যাক্সারদের বলে ব্রেইনওয়াশড এবং ভাইস-ভারসা। কারটা সঠিক, আমাদের একটু ধৈর্য ধরতে হবে। তবে ডেটা তথ্য-উপাত্ত বলে, যাঁরা ভ্যাক্সিন নিয়েছেন, তাঁদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কম, আক্রান্তদের কমপক্ষে ৮৩ শতাংশ নন-ভ্যাক্সিনেটেড, যাঁরা সম্প্রতি ভ্যাকসিন নিয়েছেন।

*লেখক: পিএইচডি গবেষক, ইউনিভার্সিটি অব নিউব্রান্সউইক, ফ্রেডেরিক্টন, কানাডা। [email protected]

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন