বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেন, চীন ১৯৪৯ সাল থেকে অন্তত ১৯৫২ সাল পর্যন্ত কীভাবে ভেতর থেকে বদলে গেছে, তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনার সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের সব যুগেই সম্পর্ক ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, সুলতান গিয়াস উদ্দিন আজম শাহ যখন বাংলার স্বাধীন সুলতান ছিলেন, বিশেষ করে ১৩৯৩ সাল থেকে শুরু করে ১৪০৮ সাল পর্যন্ত, তিনি চীনের সঙ্গে বাংলার সুসম্পর্ক গড়ে তোলেন।

চীনা দূতাবাসের মিনিস্টার কাউন্সিলর ও ডেপুটি চিফ অব মিশন ইয়ান হুয়ালং বলেন, নানা লড়াই-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে চীন ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টি আজকের অবস্থানে এসেছে। কঠিন সময় পার করলেও এই দলই চীনা জাতির মেরুদণ্ড। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা চীনা টিকা ও চীনে ফেরার ব্যাপারে অগ্রাধিকার পাবেন। চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে ফেরার ব্যাপারে বাংলাদেশে অবস্থিত চীনা দূতাবাস কাজ করছে বলেও তিনি জানান। তিনি নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটিকে শুভেচ্ছ ও অভিন্দন জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম শাখাওয়াত হোসেন বলেন, নিঃসন্দেহে চীন ব্যাপক বদলে গেছে। চীন সার্বিকভাবেই বিশ্বের এক নম্বর অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হতে যাচ্ছে। আর যখন একটি দেশ অর্থনীতিতে শক্তিশালী হয়, তখন সেই দেশ সুপার পাওয়ারে পরিণত হয়।

default-image

অ্যাবকার সভাপতি মুন্সি ফয়েজ আহমেদ সমাপনী বক্তব্যের শুরুতে তাঁকে সভাপতি নির্বাচন করার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং নবনির্বাচিত সব সদস্যকে শুভেচ্ছা ও অভিন্দন জানান। তিনি মনে করেন, অ্যাবকার সদস্যরা শুধু পড়াশোনা বা গবেষণা নয়, বরং সব ক্ষেত্রেই ভূমিকা পালন করবেন, যেমন অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বাণিজ্যিক উন্নয়ন, চিকিৎসা বা কৃষি ক্ষেত্র। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের প্রাক্তন চীনা শিক্ষার্থীদের নিয়ে যৌথভাবে কাজ করার আশাও ব্যক্ত করেন তিনি।

অ্যাবকার সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মান্নান খান ২৫ সদস্যবিশিষ্ট প্রথম কার্যনির্বাহী বোর্ড এবং ৩ সদস্যবিশিষ্ট উপদেষ্টা কমিটির সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন। কমিটির সদস্যরা হলেন মুন্সি ফয়েজ আহমেদ, সভাপতি, চীনে নিযুক্ত সাবেক বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত; সম্মানিত সভাপতি লেফটেন্যান্ট জেনারেল মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, পিএসসি (অব.), প্রাক্তন সেনাপ্রধান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং মহামান্য ছাই শি, বাংলাদেশে নিযুক্ত সাবেক চীনা রাষ্ট্রদূত; সহসভাপতি মইনুল ইসলাম, প্রাক্তন চেয়ারম্যান, জনসংখ্যাবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং রকিবুল হক, সহযোগী অধ্যাপক, ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; যুগ্ম সম্পাদক, এ এ এম মুজাহিদ, গবেষক, ইনস্টিটিউট অব স্মার্ট সিটি, সাংহাই ইউনিভার্সিটি; মো আবু কাউসার স্বপন, হেড অব অপারেশন (ইনচার্জ), ওরিওন রেন্টাল অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতাল এবং মারুফ হাসান, পিএইচডি গবেষক, হুয়াযং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুস সাকিব, পিএইচডি গবেষক ও শিশু বিশেষজ্ঞ, পিকিং ফার্স্ট ইউনিভার্সিটি হাসপাতাল; অর্থ সম্পাদক মো. রাশেদুজ্জামান, সহযোগী অধ্যাপক, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; অফিস সম্পাদক কে এম শফিক, সহযোগী অধ্যাপক (গণিত), জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ; গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়; প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ ছাইয়েদুল ইসলাম, পিএইচডি গবেষক, চিয়াংশি ইউনিভার্সিটি অব ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইকনোমিকস, চীন; সমাজসেবা সম্পাদক জান্নাত-উন নাহার, প্রভাষক, চাইনিজ ভাষা, আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; সংস্কৃতি সম্পাদক নুজহাত ফারহানা, বিবিএ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বিএ, চীনা ভাষা ও সংস্কৃতি বিভাগ, ইউন্নান বিশ্ববিদ্যালয়, চীন।

কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন তৌকীর রাশাদ নওয়াজ, নানকাই বিশ্ববিদ্যালয়, চীন; উম্মে আয়মান আহমেদ, সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়, চীন; মুহাম্মদ জাকারিয়া, সহযোগী অধ্যাপক, যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়; মোহাম্মদ মুজাহিদ, অধ্যাপক, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল; নাঈম হাসান, সহকারী অধ্যাপক, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ড্যাফোডিল আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়; মো. ইব্রাহিম রহমান, মেডিকেল কো-অর্ডিনেটর, প্রগ্রেস গ্রুপ; শিবলী নোমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এইচ অ্যান্ড এন পাবলিকেশনস ইন্টারন্যাশনাল এবং ইফতে খাইরুল হক, ইঞ্জিনিয়ারিং স্নাতক, হেনান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চীন।

উপদেষ্টা কমিটির সদস্যরা হলেন ইয়ু কুয়াং ইউয়ে আনন্দী, প্রধান প্রতিবেদক, বাংলাদেশ ব্যুরো, চায়না মিডিয়া গ্রুপ; মিসবাহুল ফেরদৌস, ফুওয়াই হাসপাতাল, বেইজিং, চীন এবং ইঞ্জিনিয়ার মো. শামসুল হক।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন অ্যাবকার ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্স বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান মাইনুল ইসলাম, অ্যাবকার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ওরিয়ন ডেন্টাল অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতাল ঢাকার হেড অব অপারেশনস মো. আবু কাউসার স্বপন এবং অ্যাবকার সাংগঠনিক সম্পাদক, পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাস্ট হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ড. নাজমুস সাকিব।

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন