বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কাজটি মোটেও ফ্রান্সিসকো লুফিনহার জন্য সহজ ছিল না। ৩৮ বছরের এই অভিযাত্রীর ভয়ংকর দুঃসাহসিক যাত্রার শুরুটা হয়েছিল ৩ নভেম্বরে পর্তুগালের কাসকাইশ শহর থেকে। তাঁর এ চ্যালেঞ্জ সফলভাবে সম্পন্ন করতে সময় লেগেছিল মোট ২৫ দিন।

যাত্রাপথে ফ্রান্সিসকো লুফিনহার সম্বল হিসেবে ছিল ছোট্ট একটি ঘুড়িচালিত তরি, ১৫ লিটার খাওয়ার পানি, নৌকার শক্তি উৎস ছিল সৌরবিদ্যুৎ। তা ছাড়া তিনি সাগরের লোনাপানিকে বিশুদ্ধ করার জন্য পাম্প ব্যবহার করতেন। ভয়ংকর এ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এটি আমার জন্য মোটেও সহজ ছিল না, বিশেষ করে ধৈর্য এবং অধ্যবসায়ের কথা না বললেই নয়। মৃত্যুকে খুব কাছ থেকেই দেখেছি। নৌকা বা ব্যাটারি চেম্বারে বারবার লোনাপানি উঠে যাচ্ছিল, এগুলো ফেলতেও অনেকটা ঝামেলা পোহাতে হয়েছে আমাকে।’

প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে যাত্রাপথে ফ্রান্সিসকো লুফিনহাকে প্রায় ২২ দিন বিরতি নিতে হয় ক্যানারি দ্বীপে। এ জন্য এই যাত্রা শেষ করতে মোট ৪৭ দিন সময় লাগলেও, উত্তাল সমুদ্রে ঘুড়ির নৌকাটি দ্বারা সমুদ্র পাড়ি দিতে সময় লেগেছিল মোট ২৫ দিন। দ্রুততম সময়ে আটলান্টিক সাগর পাড়ি দেওয়ার কারণে গিনেস ওয়ার্ল্ড বুকে নাম লেখাতে চান ফ্রান্সিসকো লুফিনহা।

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন