বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জাতীয় সংগীতের পরই সঞ্চালক পল্লব সরকার সম্মানিত অতিথিদের পরিচয় করিয়ে দেন। একে একে তাঁদের মঞ্চে ডেকে নেওয়া হয় এবং উত্তরীয় পরিয়ে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাবাজার বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এবং হৃদয়ে বাংলাদেশের সভাপতি সাইদুর রহমান লিংকন, ফটোসাংবাদিক এ বি এম তুষার, সংগঠক মিয়া মুহাম্মদ দাউদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুর রফ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মনজুর আহমেদ।

মনজুর আহমেদ স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরেন। সভাপতি আল্পনা গুহ বলেন, আড্ডার উদ্দেশ্য হচ্ছে নতুন প্রজন্মকে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত রাখা এবং নিজের শিকড়ের কাছ পৌঁছে দেওয়া। তিনি সবাইকে আড্ডার পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ জানান।

default-image

এরপর দর্শকেরা উপভোগ করেন আড্ডার সব ছাত্রছাত্রীর পরিবেশনায় অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। যেখানে ছিল কবিতা আবৃত্তি, নাচ ও গান। পুরো অনুষ্ঠানটি দর্শকেরা মন্ত্রমুগ্ধের মতো উপভোগ করেছেন। নাচে অংশ নিয়েছে ইশা, কৃষ্ণা, তিশা, রিয়া, তুলসী, অদিতি, চৈতন্য পারমিতা, ত্রির্পনা, সংহিতা, রুচি, সৃষ্টি, অমৃতা, আদ্রিকা। কবিতায় সুনিত্রা সেন, রিয়া, পারমিতা, সংহিতা, অমৃতা, সৃষ্টি, অদ্রিকা। গানে মুসলে টিটু, হৈমন্তী দেবনাথ, রিয়া, তুলসী।

default-image

নাচের কোরিওগ্রাফ করেছেন প্রয়াত নৃত্যগুরু অনুপ কুমার দাশ ও আড্ডার বর্তমান নৃত্যের শিক্ষিকা মিথান দেব। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন পল্লব সরকার ও সুরাইয়া লাকী। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন আল্পনা গুহ, পল্লব সরকার, মিথান দেব, মৃদুলা আলম, ইশানী চৌধুরী, নিরমা গোলডার। বিজ্ঞপ্তি

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন