default-image

দু-চারটা স্বপ্ন আমারও ছিল
আধমরা স্বপ্ন, তাও।
মন বাঁধব বলে
সমান্তরাল একটা মনও ছিল
সেই মনে প্রতিশ্রুতি ছিল,

তোমার আঁচলের গিঁট থেকে
যেদিন প্রতিশ্রুতি খসে পড়ল
তছনছ এই মন আমার চেঁচিয়ে উঠল
জিওদানো ব্রনোর আত্মহত্যার কথা মনে পড়ে গেল
মনে পড়ে গেল হোমোসেপিয়েন্সের জৈবিক চাহিদার কথা।

মন পোড়া তুমি
এক শ চাওয়ার কিছুই তো পাইনি আমি
তাই আধো ঘুমে এখন চাঁদোয়া দেখি
জলজ সুর, সুরের নাচন

অ্যাডিক্টিভ ফেনোমেনায় হুহু বাতাস
তোমার চন্দন থেকে ধোঁয়া ওড়ে।
তুমি তো আছ অনতিদূরে
পরিমিত হাওয়ায় বৃষ্টির দিনে, মোহন ভুলে
সামান্য পার্থক্য শুধু রাগ দরবারে।

আকাশ নীলা,
তুমি কি আর কোনো দিন আমার সরোজিনী হবে?
তোমার ছায়াশরীর এখনো আমার কাছে সুষমার বালুচর
আমার দুচোখে এখন নিঝুম রাত
তুমি ব্যাবিলন উদ্যানের স্মৃতি
তুমি এখন না মেঘ না জ্যৈষ্ঠ মাসের বৃষ্টি।

দণ্ডবিধিরও প্রকার আছে,
এখন থমকে আছে বাওড়ি বাতাস
যেটুকু বইছে তাতেও আগুনের হাওয়া
আজন্ম সুখ, আজ তুমি শুকনো বকুল
শ্রাবণে প্লাবনে ভেসে যাও, ঝড় কিংবা অগ্ন্যুৎপাতে
অসংখ্য রাত, অজস্র দিন অসমাপ্ত গল্পের মতো।

*লেখক: শরীফুল আলম, হাডসন, নিউইয়র্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

বিজ্ঞাপন
দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন