default-image

একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সন্ধ্যা ছয়টায় আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এই আলোচনায় বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট লোকসংস্কৃতিবিদ অধ্যাপক শেখ মকবুল ইসলাম, সেন্ট পলস কলেজ ও বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক প্রদীপ্ত মুখোপাধ্যায়, হীরালাল মজুমদার মেমোরিয়াল কলেজ ফর উইমেন এবং কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকসংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক সুজয় মণ্ডল।

কল্যাণীর আইটিআই মোড়সংলগ্ন ময়দানে আলোচনা সভা ছাড়াও উদার আকাশ পত্রিকার সম্পাদক ফারুক আহমেদসহ ৩০ জন কবি–সাহিত্যিক ও নাট্য ব্যক্তিত্বকে ভাষা দিবস উপলক্ষে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সকাল থেকে চলে স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির।

বিজ্ঞাপন
default-image

এদিন কল্যাণী শহরের কবিতা-আলেখ্যর দল কাব্যালাপ-এর পরিবেশন দাগ কাটে। বছর তিনেক আগে ডিসেম্বরের এক সান্ধ্য আড্ডায় হঠাৎ জন্ম কাব্যালাপের। বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া তিন স্কুলবেলার বন্ধুর যাবতীয় না বলা সামাজিক–সংস্কৃতিক অনুভূতি ভাষা পেল এই দলে। প্রথম অনুষ্ঠান ২০১৮ কল্যাণী বইমেলায়। সাম্প্রদায়িকতা যখন ক্রমেই সংবাদপত্রের শিরোনাম হয়ে উঠছে, শুভবোধ আর খোলা চিন্তার এক আশ্চর্য স্খলন দেখা দিচ্ছে, সেই অন্ধকার সময়ে একঝলক আলোর মতো হয়ে এসেছে এই দল। সময়োপযোগী স্ক্রিপ্টে গান-কবিতার মাধ্যমে গলা তোলার স্পর্ধা দেখিয়েছে। অল্প দিনের মধ্যে সংস্কৃতিমনস্ক মানুষের ভালোবাসা, সমর্থন পেয়ে তাঁরা অভিভূত। কল্যাণীর গণ্ডি পেরিয়ে কাব্যালাপ প্রথম বছরেই বাংলা আকাদেমি, রবীন্দ্র ওকাকুরা ভবনে অনুষ্ঠান করেছে। বর্তমানে দলের সদস্যসংখ্যা চার। আবৃত্তিতে মধুরিমা, দেবনিষ্ঠা, গানে প্রতীতি আর কি–বোর্ডে রাতুল—এই চার ইয়ারের কথায় এখন ভাসছে কাব্যালাপের পানসি। এই দিনের অনুষ্ঠানে যদিও প্রতীতির পরিবর্তে গানে ছিলেন মনস্বিতা। তাঁকে কাব্যালাপের বৃহত্তর পরিবারের সদস্য বলা চলে। এই তালিকায় রয়েছে সুদেষ্ণা, সুমনার নামও। আর শুরুর দিন থেকেই প্রায় দলের মেন্টর হিসেবে ছিলেন মনিমেখলা ভৌমিক।

কল্যাণী শহর তৃণমূল যুব কংগ্রেসের উদ্যোগে ও কল্যাণী শহর মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহযোগিতায় ২১ ফেব্রয়ারিতে ১৬০ জন রক্ত দান করেন। কল্যাণী শহর তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি দেবাশীষ হালদার জানালেন, আমাদের প্রয়াস সার্থক। উপস্থিত ছিলেন কল্যাণী শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অরূপ মুখোপাধ্যায়, কল্যাণীর বিধায়ক ড. রমেন্দ্রনাথ বিশ্বাস ও কল্যাণীর বিভিন্ন ওয়ার্ডের সদস্যরা।

*ফারুক আহমেদ: লেখক ও সম্পাদক, ভারত

বিজ্ঞাপন
দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন