বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং তাঁর ভাষণে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো পরিষেবা বাণিজ্য, যা দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সহযোগিতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একটি নতুন উন্নয়নের দৃষ্টান্ত গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এটির বড় ভূমিকা রয়েছে। আমরা অন্য সব পক্ষের সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে সেবা বাণিজ্য বৃদ্ধির সুযোগ ভাগ করে নেওয়ার, বিশ্ব অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং প্রবৃদ্ধিকে উন্নীত করার জন্য কাজ করব।’ তিনি আরও বলেন, ‘আসুন, আমরা কোভিড-১৯ মহামারিকে পরাজিত করতে এবং এই কঠিন সময়গুলো কাটিয়ে উঠতে হাত মিলাই। শান্তি, উন্নয়ন এবং পারস্পরিক সহযোগিতাকে “সুবর্ণ চাবি” হিসেবে ব্যবহার করি। তাহলে আমরা বিশ্ব অর্থনীতি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্মুখীন চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে এবং সবার জন্য একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ তৈরি করতে সক্ষম হব।’

বেইজিংয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসের মিনিস্টার ও ডেপুটি চিফ মিশন মুহম্মদ নজরুল ইসলাম ও কমার্শিয়াল কাউন্সিলর মোহাম্মদ মনসুর উদ্দিন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেন। তারা দুটি বাংলাদেশি প্যাভিলিয়নসহ প্রদর্শনী হল পরিদর্শন করেন।

দূতাবাসের কর্মকর্তারা বলেন, চীন আন্তর্জাতিক সেবা বাণিজ্য মেলা সেবা খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও বৃহত্তম এক্সপো। বিশ্বব্যাপী মহামারি পরিস্থিতির কারণে কোম্পানিগুলো চীনে আসতে পারেনি। দূতাবাসের অংশগ্রহণে বাণিজ্য, সংস্কৃতি, পর্যটন ও সর্বোপরি বাংলাদেশকে ব্র্যান্ডিং করার জন্য আরও সুযোগ সন্ধানের চেষ্টা করছেন।

default-image

দূতাবাসের কর্মকর্তারা প্রত্যাশা করেন, এই মেলাতে অংশগ্রহণের ফলে চীনে বাংলাদেশি পণ্যের বাজার সৃষ্টি হবে। চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য আরও বাড়বে। পণ্য আমদানি ও রপ্তানিতে ভারসাম্য রক্ষা হবে। বেইজিংয়ে বাংলাদেশ দূতাবাস চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য বৃদ্ধিতে কাজ করছে।

বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নগুলোয় প্রদর্শিত হয়েছে পাটজাত হস্তশিল্পের আকর্ষণীয় পণ্যসামগ্রী, চামড়ার তৈরি ব্যাগ, কাপড় ও মেয়েদের অলংকারসামগ্রীসহ অন্য পণ্যসামগ্রী। মেলাতে বাংলাদেশি পণ্যের প্রতি চীনা নাগরিকসহ অন্যান্য দেশের নাগরিকদের আগ্রহ দেখা যায়। তা ছাড়া বাংলাদেশি স্টলগুলোতে ছিল ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়।

চীন কোভিড-১৯ মহামারির মধ্যে চলতি বছর নির্ধারিত ইভেন্টটি আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্ব সম্প্রদায়ের সঙ্গে ব্যাপক সম্প্রসারণ এবং বৃদ্ধির সুযোগ ভাগ করে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি প্রদর্শন করেছে। বিশ্ববাজারে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে সর্বশেষ পরিষেবাগুলো প্রদর্শনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম প্রদান করে।

বাংলাদেশ, জার্মান, জাপান, সুইজারল্যান্ড, ব্রাজিল, ফিলিপাইন, আর্জেন্টিনা, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, আফ্রিকান দেশসহ অন্যান্য দেশ মেলায় অংশগ্রহণ করে। তা ছাড়া, হুয়াওয়ে, ক্যানন, ইপসন, জেডিসহ অন্য বড় কোম্পানিগুলো মেলাতে অংশগ্রহণ করে।

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন