বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্ত্রীর সবচেয়ে নির্ভরতার স্বামীকেও হারাতে দেখেছি। সারা দিনরাত পাহারা দিয়েও স্ত্রী শুধু তাকিয়ে দেখলেন তাঁর প্রাণের চেয়েও প্রিয় মানুষটির চলে যাওয়া। যাঁর জন্য নিজের প্রাণ দিতেও কোনো দ্বিধা ছিল না, তাঁকেই কি না মহামারি অত্যন্ত নিষ্ঠুরভাবে কেড়ে নিল! এক–একটি মৃত্যু কত পরিবারকে যে অসহায় করেছে, তা বলে শেষ করা যাবে না।

এত কিছুর পরও কি আমরা নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন করতে পারি না? একটি অদৃশ্য জীবাণুর সঙ্গে আমরা সংগ্রাম করতে পারি না, তারপরও কি আমরা একই ভাবে চলতে থাকব? আমরা কি পারি না, সবাই মিলে একটি নতুন পৃথিবী গড়ে তুলতে?

নিজেকে আজ খুব তুচ্ছ মনে হচ্ছে, মনে হচ্ছে আমার মধ্যেও যেন কোনো পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছি না। নিজেকে নিজেই প্রশ্ন করি, আমিও তো ছুটে চলেছি গতানুগতিকভাবে। কোথায় আমার প্রাণের স্পন্দন, কোথায় আমার দেশপ্রেম, কোথায় আমার ভালোবাসা? এই যান্ত্রিকতা থেকে কবে মুক্তি পাব?

এই সুন্দর পৃথিবীকে আমি আরও সুন্দর দেখতে চাই। মহামারি তুমি চলে যাও, আর কখনো এসো না। আর কাউকে কষ্ট দিও না।

লেখক: ড. সোহেল আহমদ, ভিয়েনা,অস্ট্রিয়া।

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন