বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রাষ্ট্রদূত বলেন, এই পবিত্র রমজান মাসে ফিলিস্তিনি মুসলিমদের পবিত্র মসজিদে প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে, তাঁদের ধর্মীয় আচার পালনে বাধা দেওয়া হচ্ছে, যা খুবই দুঃখজনক বিষয়। সেখানে ইসলামি মতাদর্শ, সংস্কৃতির ওপর আঘাত ও দখলদারিত্বের মাধ্যমে ফিলিস্তিন মুসলিমদের উচ্ছেদের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, কোনো যুক্তি বা অজুহাতই নিরীহ বেসামরিক ফিলিস্তিনি নাগরিকদের হত্যা ও নির্যাতনের ন্যায্যতা ও আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের সমর্থন করতে পারে না।

ওআইসির স্থায়ী প্রতিনিধি মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, বাংলাদেশ আল–আকসা মসজিদ এবং ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের সমগ্র দখলকৃত ভূমিতে সহিংসতা এবং নিরাপত্তা লঙ্ঘনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করার জন্য জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে আহ্বান জানিয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে চলমান নতুন কোনো সংকট ও সংঘাত যেন জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ ফিলিস্তিনের এ দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান থেকে সরানো সঠিক হবে না বলে তিনি উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, জাতিসংঘের গৃহীত রেজল্যুশন, আরব শান্তি উদ্যোগ এবং কোয়ার্টেট রোড ম্যাপ অনুযায়ী ফিলিস্তিন সমস্যার একটি সামগ্রিক ও টেকসই সমাধানের বিষয়ে বাংলাদেশ তাঁর নীতিগত অবস্থান অব্যাহত রেখেছে। তিনি ফিলিস্তিন সমস্যার সমাধানে ওআইসিকে আরও কার্যকরী ভূমিকা রাখার অনুরোধ জানান। সৌদি আরবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জরুরি এই বৈঠক শেষে সর্বসম্মতিক্রমে একটি যৌথ ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়।

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন