বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

গাড়ি থেকে নামতেই গরমের হলকা অনুভূত হলো। অনেকটা বাংলাদেশের আবহাওয়ার মতো। বাতাসে আর্দ্রতা খানিকটা বেশি থাকায় ঘাম হচ্ছিল। পথেই রাতের খাবার সেরে এসেছি। এবার ক্লান্তি দূর করে পরের দিনের জন্য তৈরি হতে তাঁবু খাটিয়ে ঘুমের আয়োজন চলল। একটা উপত্যকায় আমাদের রাতের তাঁবু খাটানো হয়েছে। চারদিকে পাহাড় আমাদের নিরাপত্তা বলয় হয়ে ঘিরে রেখেছে।
ভ্রমণক্লান্তিতে কখন ঘুমিয়ে গিয়েছি, ঠিক মনে নেই। ঘুম ভাঙল পাহাড়ের আড়াল থেকে জেগে ওঠা সূর্যের আহ্বানে। চোখ মেলে তাঁবুর বাইরে আসতেই দেখা মিলল একটা কোমল ফুরফুরে সকাল সহাস্যে দাঁড়িয়ে আছে। ব্যস্ততা আর আলসেমিতে দীর্ঘদিন যার সঙ্গে সখ্য গড়ে ওঠেনি। হইহই করে সবাই বেরিয়ে পড়ো তৈরি হতে। ইউটা বেশ উত্তপ্ত জায়গা। তা ছাড়া দাবদাহের সংকেত দিয়ে রাখা হয়েছে। তাই সকাল সকাল বেরিয়ে পড়তে হবে হাইকিং করতে চাইলে।

default-image

সকালের খাবার সেরে তৈরি হয়ে যতক্ষণে বেরোলাম, ততক্ষণে সূর্য বেশ ওপরে উঠে এসেছে। বেরোতে গিয়ে বেচারা মাকসুদের মনটাই খারাপ, কোথায় যেন তার রোদচশমাটা হারিয়ে ফেলেছে। ভুভু যান্ত্রিক শব্দ তুলে আমাদের গাড়ি ছুটছে প্রথম গন্তব্য ‘অ্যাঞ্জেলস ল্যান্ডিং ট্রেইল’–এর দিকে।

default-image

সকালে খাবারের পর পাড়ার মোড়ে দাঁড়িয়ে এক কাপ চা পান করার তৃষ্ণাটা পেয়ে বসল। যদিও বাংলাদেশের মতো এখানে মোড়ে মোড়ে খোলা কোনো চায়ের দোকান নেই। অগত্যা কফির দোকান থেকে কফি নিয়ে আবার গাড়িতে ছুটে চলা। পাহাড়ি জনপদ বুক পেতে দিয়েছে আগন্তুকদের। সেই বুকজুড়েই কংক্রিটের রাস্তা। চারদিকে পাহাড়ের সারি দাঁড়িয়ে আছে নির্ঘুম প্রহরায়। নিজেদের যেন জনপদের কোনো প্রতাপশালী জমিদার মনে হতে লাগল।

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন