default-image

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ দূতাবাস, মাস্কাট গতকাল শুক্রবার (২৬ মার্চ) ‘মুজিব বর্ষ’ ও মহান স্বাধীনতার ‘সুবর্ণজয়ন্তী’ স্মরণে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে। প্রত্যুষে দূতাবাস প্রাঙ্গণে আমাদের প্রাণের ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি’ সুরের মূর্ছনায় রাষ্ট্রদূত মিজানুর রহমান উপস্থিত কমিউনিটি নেতাদের সঙ্গে নিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

দূতাবাস মিলনায়তনে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয়। এ পর্বের শুরুতেই উপস্থিত সবার উদ্দেশে আমাদের স্বাধীনতার ‘সুবর্ণজয়ন্তী’ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ‘ভিডিও’ বার্তা প্রদর্শন করা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী প্রচার করা হয়।

বিজ্ঞাপন

আলোচনা পর্বে ওমানস্থ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশ সোশ্যাল ক্লাব, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন, বঙ্গবন্ধু পরিষদসহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠন অংশগ্রহণ করে। বক্তারা ১৯৪৭ সাল থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত বাঙালি জাতির জীবনে ঘটে যাওয়া নির্যাতন–নিপীড়নের মধ্যে থেকে একটা জাতিকে স্বাধীনতাযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করতে আমাদের জাতির জনকের নেতৃত্বের দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা স্মরণ করেন।

default-image

আলোচনা সভায় রাষ্ট্রদূত মিজানুর রহমান সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির জনকের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন যে ২৬ মার্চ আমাদের বাঙালির জাতীর জীবনের এক অবিস্মরণীয় দিন। কারণ, এ দিন থেকেই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল। আর এই স্বাধীনতা অর্জনের ডাক দিতে গিয়ে আমাদের জাতির জনক নিশ্চিত মৃত্যুর পথ বেছে নিয়েছিলেন। নিজের জীবনের বিনিময়ে হলেও ‘সোনার বাংলা’ গড়ে দিতে, বাঙালি জাতিকে একটি স্বাধীন পতাকা দিতে তিনি আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন।

default-image

উল্লেখ্য যে সালতানাত অব ওমানের মহামহিমাময় সুলতান হাইতাম বিন তারিক বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের কাছে প্রেরিত এক অভিনন্দনবার্তায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বিজ্ঞপ্তি

বিজ্ঞাপন
দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন