বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে টরন্টো ফিল্ম ফোরাম ও কবির ভক্ত শুভানুধ্যায়ীদের পক্ষ থেকে কবিকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং জন্মদিনের কেক কাটা হয়। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে কবির স্ত্রী সাহানা বেগম, কবি ইকবাল হাসান, ফিল্ম ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মনিস রফিক, ফোরামের আমিনুল ইসলাম, ফয়েজ নুর ময়না, বিদ্যুৎ সরকার, জগলুল আজিম, কবি শহিদুল টুকু, রাজিনা পারভীনসহ কবি, সাংবাদিক ও তাঁর ভক্ত শুভানুধ্যায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

জন্মদিনের শুভেচ্ছার জবাবে বক্তব্য দিতে গিয়ে কবি আসাদ চৌধুরী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের মনে যে স্বপ্ন দানা বেঁধে উঠেছিল, ১৯৭৫ সালের পর বাংলাদেশ সেই স্বপ্নের উল্টো পথে হাঁটা শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত দেশ তার নিজস্ব পথে ফিরে আসতে পারেনি। তিনি বলেন, ইতিহাসের বিকৃতিতে মুক্তিযুদ্ধই যেন হারিয়ে যেতে বসেছে।

ফিল্ম ফোরামের সভাপতি এনায়েত করীমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে কবি আসাদ চৌধুরীর সাহিত্যকর্ম এবং দেশভাবনা নিয়ে বক্তব্য দেন নতুনদেশের প্রধান সম্পাদক শওগাত আলী সাগর। টরন্টো ফিল্ম ফোরামের পক্ষে ফোরাম কর্মকর্তা সোলায়মান তালুত রবিন কবিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য দেন।

default-image

কবি আসাদ চৌধুরীর জীবন ও সাহিত্যকর্ম নিয়ে আলোচনায় সাংবাদিক শওগাত আলী সাগর বলেন, কবি আসাদ চৌধুরী একদিকে যেমন নিজের প্রতিভা দিয়ে বাংলা সাহিত্যের উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছেন, অন্যদিকে বাংলাদেশ নামের দেশটির জন্মের প্রক্রিয়ায়ও তিনি গৌরবোজ্জ্বল অবদান রেখেছেন। তিনি বলেন, কবি আসাদ চৌধুরী কেবল কবিতা কিংবা সাহিত্যেই নিজেকে নিমগ্ন রাখেননি। প্রবাসে বসবাস করেও দেশের প্রয়োজনে কূপমণ্ডুকতা, অন্ধকার শক্তির বিরুদ্ধে মানুষের আকাঙ্ক্ষার সপক্ষে স্পষ্টভাষায় কথা বলে যাচ্ছেন। যথাযথ বুদ্ধিজীবী হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

এনায়েত করীম তাঁর বক্তব্যে কবি আসাদ চৌধুরীর সাহিত্যকর্মের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, বর্তমানে টরন্টোয় বসাবসরত কবি বাংলাদেশকে যেমন তাঁর ভাবনার শীর্ষে রেখেছেন, একই সঙ্গে প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতিকে উজ্জীবিত করতে অভিভাবকের ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। বিজ্ঞপ্তি

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন