বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কানাডায় বিশেষ করে টরন্টোয় বাংলাদেশিদের ক্রিকেটচর্চার ইতিবৃত্ত তুলে ধরে ইত্তেজা আহমেদ বলেন, প্রবাসের কঠিন জীবনে নিয়মিত খেলাধুলার চর্চা করা রীতিমতো কঠিন কাজ। কিন্তু ক্রিকেটামোদী বাংলাদেশিরা ভাড়া করা মাঠে অনুশীলন করে করেই এখন মূলধারার বিভিন্ন লিগে অংশ নিচ্ছেন। তিনি বলেন, অনুশীলনের মাঠ ভাড়া থেকে শুরু করে যাবতীয় খরচ ক্রিকেটারদের বহন করতে হয়। ব্যক্তিগতভাবে কেউ কেউ স্পনসরশিপ নিয়ে এগিয়ে এলেও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার অভাব রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

নিয়মিত অনুশীলনের জন্য একটি মাঠের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে ক্রিকেটার মোস্তফা দাউদ বলেন, ক্রিকেটারদের অনুশীলনের জন্য মাঠের অভাব একটি বড় সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে আমাদের জন্য। মাঠ ভাড়া নিয়ে আমাদের অনুশীলন করতে হয়। তিনি বলেন, কানাডায় বাংলাদেশি ক্রিকেটের বিকাশের জন্য দরকার একটি মাঠ। এ ব্যাপারে কমিউনিটির সবার এগিয়ে আসা দরকার।

ক্রিকেটার তানিম চৌধুরী অন্যান্য কমিউনিটিতে থাকা অবকাঠামোগত সুবিধাদি তুলে ধরে বলেন, পর্যাপ্ত অবকাঠামোগত সুবিধাদি নিশ্চিত করা গেলে আমাদের ক্রিকেটারেরা কানাডার জাতীয় দলে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে পারবে। নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরাও ক্রিকেটের ব্যাপারে উৎসাহী হবে। তিনি বলেন, বহুসংখ্যক মেধাবী বাংলাদেশি ক্রিকেটার কানাডায় বসবাস করেন। অবকাঠামোগত সুবিধা তৈরি হলে নতুন প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করে কানাডায় বাংলাদেশিরা জাতীয় ক্রিকেটে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম হবে বলে তিনি মনে করেন। তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিজ নিজ সামর্থ্য অনুসারে টরন্টোর বাংলাদেশি ক্রিকেটকে সহযোগিতার আহ্বান জানান।

আলোচনায় অংশ নিয়ে ‘নতুনদেশ’–এর প্রধান সম্পাদক শওগাত আলী সাগর বলেন, কানাডায় বাংলাদেশি ক্রিকেট যথেষ্ট এগিয়ে গেছে, মূলধারায় বাংলাদেশকে তুলে ধরছে অথচ তাদের সম্পর্কে কমিউনিটিতে তেমন একটা আলোচনা শোনা যায় না, তাদের নিয়ে তেমন উচ্ছ্বাস দেখা যায় না। অনেকটা আড়ালেই যেন পড়ে আছে বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশিদের মর্যাদার আসনে বসানোর অসাধারণ এক উদ্যোগ। তিনি টরন্টোর বাংলাদেশিদের ক্রিকেটকে সহযোগিতায় এগিয়ে আসার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন