বিজ্ঞাপন

ব্যবসায়ী ফায়েজ নুর ময়না বলেন, কানাডায় ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীদের সেবার মান নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে অস্বস্তি ও অসন্তোষ আছে। এ অস্বস্তি ও অসন্তোষ দূর করা না গেলে বাংলাদেশি পণ্য বা সেবাকে ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা কঠিন হবে। তিনি আরও বলেন, কানাডায় বাংলাদেশি কমিউনিটি বড় হচ্ছে। তারা নানা জায়গায় ছড়িয়ে–ছিটিয়ে পড়ছে। ফলে শহরের বিভিন্ন জায়গায় বাংলাদেশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠছে। তিনি কানাডীয় নিয়মকানুন সম্পর্কে পড়াশোনার পরামর্শ দিয়ে বলেন, সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা না থাকলে নিজের ব্যবসাকেই টিকিয়ে রাখা যাবে না।

প্রকৌশলী রাশিদুল হাসান পেশাদারত্ব ও গ্রাহকসেবার মানোন্নয়নের তাগিদ দিয়ে বলেন, বাংলাদেশিসহ এথনিক গ্রোসারিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকানগুলোকে এখন ওয়ালমার্ট, নোফ্রিল, মেট্টোর মতো সুপারস্টোরগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামতে হচ্ছে। পণ্যে এবং গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন না করা গেলে এ প্রতিযোগিতায় তারা টিকে থাকতে পারবে না।

আইনজীবী ওমর হাসান আল জাহিদ বলেন, বাংলাদেশি কমিউনিটিকে কেবল চাকরির পেছনে না ছুটে ব্যবসার দিকে মনোযোগী হওয়া উচিত। যে ব্যবসাগুলো একসময় গ্রিক, ইতালিয়ানদের দখলে ছিল, সেগুলো এখন ভারতীয় ও শ্রীলঙ্কানদের আধিপত্য। বাংলাদেশিরা সেভাবে ব্যবসায় এগিয়ে আসেনি। তিনি বাংলাদেশি ব্যবসা এবং পেশাজীবীদের গ্রাহকসেবা এবং পেশাদারত্বের আরও উন্নয়নের সুযোগ আছে বলে মত দিয়ে বলেন, ভোক্তাদেরও পেশাদারত্ব গ্রহণের মানসিকতা অর্জন করতে হবে। অন্য কমিউনিটিতে কিংবা সাদাদের কাছে গিয়ে তারা যে ব্যবহার করে, নিজ কমিউনিটিতে এসে তারা সেটি আর অনুসরণ করতে চায় না।

নতুনদেশের প্রধান সম্পাদক শওগাত আলী সাগর আলোচনায় বলেন, কানাডায় প্রতিটি কমিউনিটির কোনো না কোনো পণ্য বা সেবা ব্র্যান্ড হিসেবে নানা কমিউনিটিতে জনপ্রিয় হয়েছে। বাংলাদেশি কোনো পণ্য বা সেবা ব্র্যান্ড হয়ে উঠতে পারেনি। বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে কানাডায় ‘বাংলাদেশি ব্র্যান্ড’–এর পক্ষে নিয়মিত প্রচারণা চালাবেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন