default-image

কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে ২১ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করেছে দেশটির বাংলাদেশ হাইকমিশন।

দিনের শুরুতে দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মেজর জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর কবির তালুকদার মিশন চত্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত ও অস্থায়ীভাবে স্থাপিত শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে সন্ধ্যায় মিশনে এক আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আলোচনায় প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের পাশাপাশি কেনিয়ার স্বনামধন্য কেনিয়াট্টা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিসওয়াহিলি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের চেয়ারপারসন অধ্যাপক পামেলা নাগুগি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষাবিষয়ক গবেষক টিমোথি কামাউ অংশ নেন।

default-image

বক্তারা বায়ান্নর ভাষাশহীদদের অমর অবদান গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে বলেন, বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলন দেশে দেশে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় অনুপ্রেরণা দিয়েছে।

হাইকমিশনার তাঁর বক্তব্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে সবাইকে মুজিব শতবর্ষের শুভেচ্ছা জানান। তিনি ভাষাশহীদদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে বাংলাসহ অন্যান্য মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় নিজ নিজ অবস্থান থেকে সবাইকে সচেষ্ট থাকতে বলেন।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ২১ ফেব্রুয়ারির স্বীকৃতি অর্জনে অবদানের জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। বাংলাদেশ ও কেনিয়ার অধিকতর সাংস্কৃতিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে ভবিষ্যতে কেনিয়ার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যৌথ অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিকে মাতৃভাষা দিবস পালন করা হবে বলে তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

default-image

সভায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়। বিজ্ঞপ্তি

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0