সন্ধ্যায় মিশনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কোভিড-১৯ মহামারির পরিপ্রেক্ষিতে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে উল্লেখযোগ্য দেশি-বিদেশি ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নির্মিত বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। স্বাগত বক্তব্যে হাইকমিশনার সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে সবাইকে মুজিব বর্ষের শুভেচ্ছা জানান।

ভাষা আন্দোলনে জাতির জনকের অনন্য অবদান ও শহীদ ভাষাসৈনিকদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে তিনি বাংলাসহ অন্যান্য মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় নিজ নিজ অবস্থান থেকে সবাইকে সচেষ্ট থাকতে বলেন। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে একুশে ফেব্রুয়ারির স্বীকৃতি অর্জনে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। বাংলাদেশ ও কেনিয়ার মধ্যে অধিকতর সাংস্কৃতিক সম্প্রীতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে আগামী দিনে স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যৌথ অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদ্‌যাপন করা হবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এরপর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবসের ওপর দেশি-বিদেশি শিশু-কিশোরদের পরিবেশনায় এবং প্রবাসী বাংলাদেশি শিল্পীদের অংশগ্রহণে দেশি সংস্কৃতির এক মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন