default-image

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং মহান স্বাধীনতা দিবস উদ্‌যাপন করেছে কেনিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশন। করোনার ক্রমবর্ধমান দিক বিবেচনা করে সব বিধি-নিষেধে মেনে ঘরোয়া আয়োজনে দিবসটি উদ্‌যাপন করা হয়।

২৬ মার্চ সকালে হাইকমিশন চত্বরে জাতীয় সংগীতের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন হাইকমিশনার মেজর জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর কবির তালুকদার। সব কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। এরপর জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠের মাধ্যমে আলোচনা অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর এ দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও বার্তা প্রদর্শন করা হয়।

মহান স্বাধীনতা দিবসের আলোচনায় বক্তারা স্বাধীনতার মহান স্থপতি ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন এবং স্বাধীনতা অর্জনে ভূমিকা রাখা সবাইকে কৃতজ্ঞতা জানান।

বিজ্ঞাপন

হাইকমিশনার বক্তব্যের শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে সবাইকে মুজিব বর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন। তিনি স্মরণ করেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদ, জাতীয় চার নেতা, নবীন মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও সমর্থক এবং দেশি-বিদেশি সব ব্যক্তিকে যাঁরা এ মুক্তিসংগ্রামে অবদান রেখেছিলেন। দেশের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের অসামান্য সাফল্য প্রসঙ্গে তিনি জাতিসংঘ কর্তৃক বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের চূড়ান্ত সুপারিশের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন। উন্নয়নের এ মহাসড়কে নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখতে তিনি উপস্থিত সবার প্রতি আহ্বান জানান।

default-image

বিকেলে কেনিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, কূটনৈতিক কোর এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অংশগ্রহণে এক ভার্চ্যুয়াল কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়। কূটনৈতিক কোরের ডিন, উল্লেখযোগ্যসংখ্যক রাষ্ট্রদূত/হাইকমিশনার, স্থানীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ আলোচনায় অংশ নেন।

সন্ধ্যায় স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটির সঙ্গে এক ভার্চ্যুয়াল কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়। কেনিয়া, রুয়ান্ডা ও উগান্ডায় বসবাসরত বাংলাদেশিরা এ আলোচনায় অংশ নেন। হাইকমিশনার সবাইকে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস এবং মুজিব বর্ষের শুভেচ্ছা জানান। এরপর বক্তারা মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন। সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে হাইকমিশনার আশা প্রকাশ করেন, করোনার প্রকোপ কমলে আড়ম্বরপূর্ণভাবে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং মুজিব বর্ষের অনুষ্ঠানমালা আয়োজন করা হবে। বিজ্ঞপ্তি

বিজ্ঞাপন
দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন