বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ফোরামে ‘জনগণের স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য মহামারির বিরুদ্ধে সহযোগিতা জোরদার করা’ এবং ‘পারস্পরিক সহযোগিতাকে গভীর করা ও একটি ভালো ভবিষ্যৎ ভাগ করে নেওয়া’ দুটি প্রধান বিষয়ের ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা হয়। তা ছাড়া অর্থনীতি ও বাণিজ্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, ঐতিহ্যবাহী ওষুধ, আন্তসীমান্ত ই-কমার্স, পর্যটন এবং অন্যান্য মানবিক ক্ষেত্রে বিনিময় ও সহযোগিতার ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে মতবিনিময় ও বক্তৃতা করা হয় এবং অনেক বাস্তবসম্মত মতামত ও পরামর্শ দেন।

চীনের চিয়াংশি ইউনিভার্সিটি অব ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইকোনমিকসের ডক্টরাল ফেলো বাংলাদেশি শিক্ষার্থী মোহাম্মদ ছাইয়েদুল ইসলাম চাইনিজ পিপলস অ্যাসোসিয়েশন ফর ফ্রেন্ডশিপ উইথ ফরেন কান্ট্রিজের আমন্ত্রণে ফোরামে অংশ নেন।

চীনের স্টেট কাউন্সিলর এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ফোরাম আয়োজনের জন্য একটি অভিনন্দনপত্র পাঠিয়ে চীনা সরকারের পক্ষ থেকে উষ্ণ অভিনন্দন জানান। তিনি উল্লেখ করেন, করোনাভাইরাস মহামারির বারবার ওঠানামা এবং বিশ্ব অর্থনীতির কঠিন পুনরুদ্ধারের প্রেক্ষাপটে দেশগুলো জোরালোভাবে মহামারিবিরোধী সহযোগিতা চালিয়েছে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য হাত মিলিয়েছে, সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানকে শক্তিশালী করেছে এবং অব্যাহতভাবে প্রচার করেছে। লানছাং-মেকং সহযোগিতা হলো একটি উচ্চ স্তরের উন্নয়ন।

গুয়াংশি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের গভর্নর লান থিয়ানলি তাঁর বক্তব্যে অঞ্চলটির সংস্কার, উন্মুক্তকরণ ও উন্নয়নের মহান অর্জন এবং বিস্তৃত সম্ভাবনার পরিচয় দেন। তিনি বলেন, গুয়াংশির সঙ্গে মেকং নদীর মাধ্যমে পাঁচটি দেশ যুক্ত। পাহাড় এবং নদী দ্বারা বন্ধুত্বপূর্ণ বিনিময়ের একটি দীর্ঘ ইতিহাস আছে। আসিয়ান দেশগুলোর সঙ্গে ৯০টি-এর বেশি আমদানি ও রপ্তানি বাণিজ্য হয়। তিনি মনে করেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাস্তবসম্মত সহযোগিতাকে আরও গভীর করতে, জনগণের মঙ্গল অব্যাহত রাখতে এবং লানছাং-মেকং সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি করতে সবার একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

অ্যাম্বাসেডর লিন সংথিয়ান বলেন, পশ্চিম চীনের উন্নয়নের সুবিধা এবং আসিয়ান দেশগুলোর সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতা ও উন্নয়নের সাধিত করে। চীন-লাওস রেলওয়ে যা সম্প্রতি সম্পন্ন এবং যাতায়াতের জন্য উন্মুক্ত হয়েছে, যা ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ উদ্যোগ এবং লানছাং-মেকং সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল। চীন বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে সহযোগিতা ও অভিন্ন উন্নয়নের নতুন পথে অটল থাকতে চায়।

মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত মায়ো থান্ট পে বলেন, গত পাঁচ বছরে চীন ক্রমাগত মেকং দেশগুলোকে সহযোগিতা করেছে এবং ৫০০টির বেশি প্রকল্পে বিশেষ অর্থায়ন প্রদান করেছে। লানছাং-মেকং সহযোগিতার ফলপ্রসূ ফলাফলসহ অভূতপূর্ব অগ্রগতি হয়েছে। সহযোগিতার স্তর ও মানের ক্রমাগত উন্নতি মেকং নদী অববাহিকার দেশগুলোর জনগণের জন্য বাস্তব সুবিধা নিয়ে এসেছে।

ফোরামে সিচুয়ান, গুয়াংশি, গুইঝো, ইউনান ও শানসি স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধি, বিভিন্ন দেশের স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধি, চীনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কনসাল জেনারেল, বন্ধুত্বপূর্ণ সংস্থার প্রতিনিধি ও মিডিয়ার প্রতিনিধিরা এ ফোরামে অনলাইন ও অফলাইনে অংশ নেন।

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন