বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইউরোপ ও এশিয়ার সংযোগস্থলে ২৬ হাজার ৯১১ বর্গমাইল আয়তনের ছোট দেশ জর্জিয়া। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে আলাদা হয়ে জর্জিয়া স্বাধীন রাষ্ট্রের যাত্রা শুরু হয়। সেদিক থেকে বিবেচনা করলে জর্জিয়া অপেক্ষাকৃতভাবে এখনো নবীন একটি রাষ্ট্র, তবে দেশটিতে জনবসতির ইতিহাস কয়েক হাজার বছরের পুরোনো। বাটুমি জর্জিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম নগরী। দেশটির একমাত্র সমুদ্রবন্দরের অবস্থান এ বাটুমিতে।

default-image

ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত যেকোনো দেশের ভিসা কিংবা রেসিডেন্ট পারমিট থাকলে জর্জিয়া ভ্রমণের জন্য আলাদাভাবে কোনো ধরনের ভিসার প্রয়োজন হয় না। ইমিগ্রেশন অফিসার জর্জিয়ায় প্রবেশকালে পাসপোর্টে অ্যারাইভাল সিল দেন। স্লোভেনিয়ার সঙ্গে জর্জিয়ার সরাসরিভাবে কোনো ফ্লাইট সংযোগ নেই, এ কারণে আমাকে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনাতে অবস্থিত শোয়েচাট ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট হয়ে জর্জিয়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা সাজাতে হয়েছিল। ভিয়েনা থেকে জর্জিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম নগরী কুতাইসি পর্যন্ত পৌঁছাতে ফ্লাইটের টিকিট বাবদ আমাকে ৪৯ ইউরো গুনতে হয়েছিল।

কুতাইসির বিমানবন্দরে পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে কিছু সময়ের জন্য হতবিহ্বল হয়ে পড়েছিলাম। ২০১৮ সালে ফিনল্যান্ড ভ্রমণের সৌভাগ্য হয়েছিল, বারবার তাই ফিনল্যান্ডের অভিজ্ঞতা চোখের সামনে ভেসে আসছিল। আয়তনের দিক থেকে কুতাইসির এয়ারপোর্ট খুব একটা বড় নয়, তবে পরিচ্ছন্নতার দিক থেকে এ এয়ারপোর্ট বেশ এগিয়ে। এয়ারপোর্টের ভেতরে কাজ করা ইমিগ্রেশন অফিসার থেকে শুরু করে বেশির ভাগ স্টাফ নারী। পোশাক-পরিচ্ছদ কিংবা মেকআপের দিক থেকে জর্জিয়ার মেয়েরা অধিক মাত্রায় পরিশীলিত। রূপ-লাবণ্যের দিক থেকেও তাঁরা অনেক এগিয়ে। ভৌগোলিকভাবে জর্জিয়ার অবস্থান ককেশাস অঞ্চলে, তাই জর্জিয়ার নারীদের চেহারা ও শারীরিক গড়নে তুর্কি ও রাশিয়ানদের ছাপ রয়েছে। তবে জর্জিয়ান পুরুষেরা সে দেশের নারীদের মতো খুব একটা সুঠাম গড়নের অধিকারী নন। একটা জিনিস আমার কাছে আশ্চর্য লেগেছে, জর্জিয়ার বেশির ভাগ প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের মাথায় চুলের ঘনত্ব খুব একটা বেশি নয়। তাদের মুখমণ্ডলও অনেকটা গোলাকার হয়ে থাকে।

default-image

বাংলাদেশের পাসপোর্ট দেখে এয়ারপোর্টের ইমিগ্রেশন অফিসার কিছুটা বেজার হয়েছিলেন। তাই আমাকে পাসপোর্ট কন্ট্রোল ইউনিট থেকে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়, আরেক অফিসার এসে আমাকে কয়েকটি প্রশ্ন করেন। জর্জিয়াতে আমার আসার উদ্দেশ্য কী এবং আমি কোন কোন স্থানে ঘুরতে যাব, সে বিষয়ে তিনি আমার কাছ থেকে বিস্তারিত জানতে চান। আমি তাঁকে সাধ্যমতো সব প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করি, একপর্যায়ে তিনি আমাকে হোটেল বুকিংয়ের কনফার্মেশন ও রিটার্ন টিকিটও দেখাতে বলেন। আমিও যথারীতি তাঁকে হোটেল বুকিংয়ের কনফার্মেশন ও রিটার্ন টিকিটের কপি দেখাই। কিছুক্ষণ পর তিনি আমাকে ছেড়ে দেন। আমি সোজা পাসপোর্ট কন্ট্রোল ইউনিটে চলে আসি। এবার ইমিগ্রেশন অফিসার আমার টিকার সনদের কপি দেখতে চান। মহামারির এ সময়ে বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে পাসপোর্ট ও ভিসার পাশাপাশি কোভিড নেগেটিভ সনদও বাধ্যতামূলক হয়ে দাঁড়িয়েছে। অবশ্য আমি আগেভাগে করোনা প্রতিরোধে যুক্তরাষ্ট্রের ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পনি মডার্না উদ্ভাবিত এমআরএনএ-১২৭৩ টিকার দুই ডোজ সম্পন্ন করেছিলাম। এ কারণে কোভিড নেগেটিভ সনদ নিয়ে আমাকে কোনো ধরনের ঝামেলা পোহাতে হয়নি।

প্রথম রাতটা কুতাইসিতে কাটাই। বুকিং ডটকম ব্যবহার করে আগে থেকে সেখানে থাকার জন্য হোস্টেল বুক করে রেখেছিলাম। সব মিলিয়ে প্রায় ছয় দিন জর্জিয়াতে থাকার সুযোগ হয়। জর্জিয়া ভ্রমণের প্রথম দিনটি ছিল কুতাইসি ও এর আশপাশের কয়েকটি দর্শনীয় স্থানের মধ্যে সীমাবদ্ধ। কুতাইসি পরিদর্শন শেষে আমার গন্তব্য হয় বাটুমি।
অবকাঠামোগত দিক থেকে জর্জিয়া এখনো অনেক পিছিয়ে, দেশটিতে গণপরিবহনের মান খুব একটা আশানুরূপ নয়। অভ্যন্তরীণ রুটে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতের জন্য জর্জিয়ার বেশির ভাগ সাধারণ মানুষ বাস কিংবা ট্রেনের পরিবর্তে মিনিবাসের ওপর অধিকমাত্রায় নির্ভরশীল। মিনিবাসে কুতাইসি থেকে বাটুমি পৌঁছাতে তিন ঘণ্টার মতো লেগেছিল। পুরো যাত্রাপথের অভিজ্ঞতা সে অর্থে সুখপ্রদ ছিল না। প্রতিবেশী দেশ তুরস্কের মতো জর্জিয়ার রাস্তাঘাট সে রকম উন্নত নয়, তাই জার্নির পুরো সময় ধরে বেশ কয়েকবার শরীর ঝাঁকি দিয়ে উঠছিল। অন্যদিকে ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে তুলনা করলে জর্জিয়াকে সে অর্থে পরিচ্ছন্ন বলার সুযোগ নেই। দেশটিতে এখনো এমন অনেক স্থান রয়েছে, যেগুলো বারবার আমাদের উন্নয়নশীল কোনো দেশের মফস্বল অঞ্চলকে স্মরণ করিয়ে দেবে।

জর্জিয়ান সরকারের বেশির ভাগ উন্নয়ন পরিকল্পনা রাজধানী তিবিলিসি, দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর বাটুমি এবং কিছু পর্যটনকেন্দ্রিক শহর। এ স্থানগুলোকে বাদ দিলে জর্জিয়ার রূপ অনেকটা ফিকে হয়ে আমাদের চোখের সামনে ধরা দেয়। এ কারণে আমাদের মিনিবাস যখন কুতাইসি থেকে বাটুমিতে এসে পৌঁছায় কিছু সময়ের জন্য চোখ কপালে উঠে গিয়েছিল। কুতাইসিকে আমার কাছে অনেকটা ধ্বংসস্তূপের মতো মনে হয়েছিল, সোভিয়েতের সেই পুরোনো দিনগুলোর ছাপ আজও এ শহরে প্রবল। সে তুলনায় বাটুমি বেশ উন্নত, আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন।
কুতাইসির মতো বাটুমিতেও এক রাত থাকি। বুকিং ডটকমের সাহায্যে বাটুমির সিটি সেন্টার থেকে দুই কিলোমিটার দূরে কেটি নামক এক মাঝবয়সী নারী কাছ থেকে একটা রুম ভাড়া নিয়েছিলাম। এক রাত থাকার জন্য আমাকে ২৫ জর্জিয়ান লারি খরচ করতে হয়েছিল। জর্জিয়ার অফিশিয়াল মুদ্রার নাম জর্জিয়ান লারি। এক জর্জিয়ান লারি বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৮ টাকার সমতুল্য।

default-image

জর্জিয়াতে আমি একটা বিষয় লক্ষ করেছি। বিষয়টি আমার কাছে খুব একটা ভালো লাগেনি। জর্জিয়াতে হোটেল কিংবা হোস্টেলের সংজ্ঞা আমাদের চেনা ও পরিচিত সংজ্ঞার চেয়ে খানিকটা ভিন্ন। অবকাঠামোগত দিক থেকে জর্জিয়ায় যেমনি পিছিয়ে, ঠিক একইভাবে ট্যুরিজম–সংক্রান্ত বিভিন্ন ব্যবস্থাপনাগত দিক থেকে জর্জিয়ার সাধারণ মানুষ বেশ অপটু। বেশির ভাগ হোস্টেল কিংবা হোটেলের মালিক তাদের বাড়ি থেকে একটা অংশ আলাদা করে হোস্টেল কিংবা হোটেল হিসেবে ভাড়া দেন। এ কারণে অনেক সময় এসব হোস্টেল কিংবা হোটেলের সাইনবোর্ড খুঁজে পাওয়া যায় না। ট্যাক্সিচালককেও সঠিক লোকেশন খুঁজে বের করতে বেশ হিমশিম খেতে হয়। এমনকি এসব হোস্টেল কিংবা হোটেলের সেবার মানও আশানুরূপ নয়। এআরবিএনবি অথবা বুকিং ডটকমে আমরা এসব হোটেল ও হোস্টেলকে যেভাবে দেখি, তা বাস্তব চিত্র থেকে অনেক সময় একেবারে আলাদা হয়ে থাকে।
কেটির সহযোগিতায় পরের দিন বাটুমি ভ্রমণের পরিকল্পনা সাজাই। ম্যাচাখেলা ন্যাশনাল পার্ক, গোনিও ফোরট্রেস, সারপি, বাটুমি বোটানিক্যাল গার্ডেন এবং বাটুমির মূল শহর—এই পাঁচ স্থান ঘুরে দেখার জন্য মনস্থির করি। কেটির সহায়তায় আমার সঙ্গে জিওর্জি নামক এক স্থানীয় ট্যাক্সিচালকের পরিচয় হয়। জিওর্জি আমাকে ২২০ জর্জিয়ান লারির বিনিময়ে এ পাঁচটি স্থান ঘুরিয়ে দেখান।
জিওর্জির বয়স সর্বসাকল্যে ৩৫–এর বেশি হবে না। আট-দশটা সাধারণ জর্জিয়ান পুরুষের মতো তাঁর শারীরিক গড়ন। পেশায় তিনি একজন ট্যাক্সিচালক। ইংরেজিতে তিনি খুব একটা দক্ষ নন, তাই তাঁর সঙ্গে কথা বলার সময় আমাকে গুগল ট্রান্সলেটের সাহায্য নিতে হয়েছিল।

default-image

মূলত কৃষ্ণসাগরের তীরে অবকাশ যাপনের জন্য বেশির ভাগ দর্শনার্থী বাটুমিতে জড়ো হন। হাইড্রোজেন সালফাইডসহ সালফারের বিভিন্ন যৌগের উপস্থিতির কারণে কৃষ্ণসাগরের জলরাশি কালচে নীল বর্ণ ধারণ করে, মাঝেমধ্যে সাগরের তট বরাবর হাঁটলে সালফারের মৃদু গন্ধ পাওয়া যায়। তবে কৃষ্ণসাগরের তীরবিধৌত অঞ্চলগুলো বিভিন্ন ধরনের জীববৈচিত্র্যে পরিপূর্ণ, বিশেষ করে বসন্তের শেষে ও গ্রীষ্মের শুরুতে এসব অঞ্চল সবুজে ছেয়ে যায়। যখন আমি কৃষ্ণসাগরের পাড় দিয়ে হেঁটে যাই, তখন আমার মধ্যে একধরনের বিস্ময়কর অনুভূতি জাগ্রত হয়। নদীর পরিষ্কার কাদা গায়ে মাখলে যে ধরনের অনুভূতির সৃষ্টি হয়, কৃষ্ণসাগরের পাড় দিয়ে হেঁটে গেলে আমিও ঠিক একই ধরনের অনুভূতি খুঁজে পাই। এক অজানা উন্মাদনায় নিজেকে হারিয়ে ফেলে এবং আমার কাছে এ ধরনের অনুভূতির স্বাদ নিতে বেশ ভালো লাগে। গ্রীষ্মকালে বাটুমিতে সবচেয়ে বেশি পর্যটকের সমাগম হয়। তবে বাটুমির সৌন্দর্য কেবল কৃষ্ণসাগরের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ম্যাচাখেলা ন্যাশনাল পার্ক, মেটিরালা ন্যাশনাল পার্ক এবং বাটুমি বোটানিক্যাল গার্ডেনও কৃষ্ণসাগরের তীরে অবস্থিত সমুদ্রসৈকতগুলোর মতো সমানভাবে আকর্ষণীয়। বেশির ভাগ পর্যটক বাটুমিতে আসেন এক দিনের জন্য, তাই তাঁদের পরিকল্পনায় বোটানিক্যাল গার্ডেন ছাড়া বাকি দুটি স্থান সেভাবে গুরুত্ব পায় না। ম্যাচাখেলা ও মেটিরালা এ দুটি ন্যাশনাল পার্কের অবস্থান বাটুমির মূল শহর থেকে বেশ খানিকটা বাইরে। রাস্তাঘাট ভালো না থাকায় এবং গণপরিবহন পরিষেবার মান আশানুরূপ না হওয়ায় এ দুটি ন্যাশনাল পার্ক সব সময় অন্তরালে থেকে যায়। পরিপূর্ণভাবে বাটুমির স্বাদ নিতে হলে কমপক্ষে চার দিন হাতে রাখা দরকার। ম্যাচাখেলা ন্যাশনাল পার্ক, মেটিরালা ন্যাশনাল পার্ক এবং বাটুমি বোটানিক্যাল গার্ডেন—এ তিনটি স্থান ভালোভাবে ঘুরে দেখতে হলে এক দিন করে মোট তিন দিন প্রয়োজন।

default-image

পার্শ্ববর্তী দেশ তুরস্কের মতো জর্জিয়া এখনো সেভাবে বিদেশি পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেনি। তাই বাটুমিতে আগত দর্শনার্থীদের সিংগভাগ জর্জিয়ার নাগরিক। সাম্প্রতিককালে তুরস্ক, রাশিয়া, বেলারুশ, ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে অসংখ্য পর্যটক জর্জিয়াতে বেড়াতে আসছেন। মূলত রিয়েল স্টেট ব্যবসায় বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে এসব দেশের অনেক নাগরিক বর্তমানে জর্জিয়াকে বেছে নিচ্ছেন। সমুদ্রপারের শহর হওয়ায় এবং তুরস্কের সঙ্গে সরাসরি সড়কপথে যোগাযোগ থাকায় তুর্কিদের অনেকে বাটুমিতে হোটেল, ফ্ল্যাটবাসাসহ বিভিন্ন ধরনের সম্পত্তি ক্রয় করছেন। ক্যাসিনো এবং অ্যালকোহলের লোভেও তুরস্ক থেকে অনেক পর্যটক বাটুমিতে আসেন। তুর্কিদের অনেকে বাটুমি থেকে শুরু করে গোটা আচারা অঞ্চলকে তুরস্কের অংশ হিসেবে দাবি করেন। ইদানীং মধ্যপ্রাচ্যের অনেক ব্যবসায়ীর কাছেও বাটুমি নয়নের মণি হয়ে উঠছে।

সোভিয়েত আমলে বাটুমির কদর খুব একটা বেশি ছিল না, সে সময় বেশির ভাগ সাধারণ মানুষ গ্রীষ্মকালীন অবকাশ যাপনের জন্য কৃষসাগর–তীরবর্তী অন্য একটি শহর সুখুমিকে বেছে নিতেন। ১৯৯২ সালে একদল বিদ্রোহী মিলিশিয়া বাহিনী সুখুমিসহ গোটা আবখাজিয়া অঞ্চলকে জর্জিয়া থেকে আলাদা হয়ে পৃথক রাষ্ট্র গঠনের ঘোষণা দেয়, যদিও হাতে গোনা কয়েকটি রাষ্ট্র আবখাজিয়াকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। আবখাজিয়া বর্তমানে রাশিয়ার একটি স্যাটেলাইট অঞ্চল, যদিও কাগজে-কলমে এ অঞ্চলের স্বায়ত্তশাসন রয়েছে। আবখাজিয়ার অধিকার নিয়ে জর্জিয়া যুদ্ধেও জড়িয়েছে, কিন্তু রাশিয়ার প্রত্যক্ষ সমর্থনের কারণে এ অঞ্চলের ওপর জর্জিয়ানরা তাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হননি। অবশ্য বিশ্বের অধিকাংশ দেশ আবখাজিয়াকে এখনো জর্জিয়ার অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। চলবে...
* লেখক: রাকিব হাসান রাফি, শিক্ষার্থী, ইউনিভার্সিটি অব নোভা গোরিছা, স্লোভেনিয়া।

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন