বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

২০০১ সাল থেকে জাইস, জাপান সরকারের ওডিএ অর্থায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস, বিচার বিভাগ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের জন্য হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট স্কলারশিপ বাই জাপানিজ গ্রান্ট এইড (জেডিএস) প্রদান করে আসছে। প্রতিবছর ৩০ জন কর্মকর্তা জাপানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে জনপ্রশাসন, অর্থনীতি, আইন, ফিন্যান্স ইত্যাদি বিষয়ে মাস্টার্স কোর্স সম্পন্ন করেন। এ ছাড়া জাইস জেডিএস ফেলোদের জন্য পিএইচডি প্রোগ্রামও চালু করেছে। এখন পর্যন্ত মোট ৪১৭ জন কর্মকর্তা মাস্টার্স কোর্স এবং ৯ জন পিএইচডি কোর্সে অংশগ্রহণ করার সুযোগ পেয়েছেন।

রাষ্ট্রদূত আহমদ, মিজ ইয়ামানোকে জানান জাপানে উচ্চশিক্ষা শেষ করে জেডিএস ফেলোরা সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে সুনামের সঙ্গে কাজ করছে। জেডিএস ফেলোরা তাঁদের অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে জাপান-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে বলে রাষ্ট্রদূত আশা প্রকাশ করেন। এ বছর জেডিএস প্রোগ্রামের তৃতীয় পর্ব সমাপ্ত হবে। তাঁর পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রদূত জেডিএস বৃত্তির চতুর্থ পর্ব যথাসময়ে চালু এবং যথাসম্ভব এর পরিধি ও সংখ্যা বৃদ্ধি করার জন্য জাইসের প্রেসিডেন্টকে অনুরোধ করেন।

default-image

জাইসের প্রেসিডেন্ট রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য শোনেন এবং তাঁকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, জাইস ও বাংলাদেশ দূতাবাস আরও গভীরভাবে সম্পৃক্ত থেকে কাজ করবে। পরে তিনি মুজিব বর্ষ উপলক্ষে দূতাবাসে স্থাপিত ‘বঙ্গবন্ধু কর্নার’ পরিদর্শন করেন এবং পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করেন। রাষ্ট্রদূত তাঁকে জাপানি ভাষায় প্রকাশিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ ও মুজিব বর্ষের স্মারক উপহার প্রদান করেন।

এ সময় জাইসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইশিরো জুন, উপপরিচালক সাকুরাই তাকিইউকি, দূতাবাসের ইকোনমিক মিনিস্টার সৈয়দ নাসির এরশাদসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তি

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন