বিজ্ঞাপন

আলোচনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাবেক মন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ফারুক খান। স্বাগত বক্তব্য দেন জার্মান আওয়ামী লীগ সাবেক প্রধান উপদেষ্টা আনোয়ারুল কবির। প্রধান বক্তা ছিলেন সাবেক সাংসদ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক, বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জার্মানিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত, সাবেক সচিব মোশাররফ হোসাইন ভূঁইয়া। জার্মান আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুম মিয়া। হাইডেলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ভলফগ্যাং পেটার জিঙ্গেল, কোলন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. গোলাম আবু জাকারিয়া।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ফারুক খান বলেন, শেখ হাসিনা মৃত্যুভয় উপেক্ষা করে দেশকে ভালোবেসে, মানুষকে ভালোবেসে জাতির পিতার স্বপ্নের গণতান্ত্রিক উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার জন্য দেশে ফিরে এসেছিলেন। ১৭ মে শেখ হাসিনা দেশে এসেছিলেন বলেই জাতির পিতার হত্যার বিচার করা সম্ভব হয়েছে। বিচার না হলে আমরা কলঙ্কিত জাতি হয়ে থাকতাম। বঙ্গবন্ধুকন্যা আমাদের সেই কলঙ্ক থেকে মুক্ত করেছে। জননেত্রী শেখ হাসিনা শুধু বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নন, তিনি এখন একজন বিশ্বনেতা। প্রবাসে দলের দুঃসময়ে নেতা-কর্মীদের ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি আরও বলেন, প্রবাসীদের রেমিট্যান্সে দেশ উন্নয়ন হচ্ছে ও পাশাপাশি বাংলাদেশ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে প্রশংসিত হচ্ছে।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন শাহাবুদ্দিন, তৌহিদা নাজনীন, হাফিজুর রহমান আলম, মিজানুর হক খান, জাফর স্বপন, হাসনাত মিয়া, সরাফ আহমেদ, মাহফুজ ফারুক, নুরজাহান খান নুরি, খান লিটন, কে এম লোকমান হোসেন, বজলুর রশীদ ভুলু, মোহাম্মদ আলী লিঙ্কন মোল্লা, শাহাদাত হোসেন তপন, মোবারক আলী ভূঁইয়া বকুল, নজরুল ইসলাম খালেদ, আলমগীর আলম, হাকিম টিটু, রানা ভূঁইয়া, বাপ্পি তালুকদার, সূর্য কান্ত ঘোষ, মো. কুদ্দুস আলী, শাহ আলম, সোহাগ মোল্লা, শেখ রেদোয়ান, নিতিশ কুন্ডু, বদিউজ্জান, ওয়াদুত মিয়া, রুবেল শরিফ, খান সিহাব, ফরাহাদুজ্জামান ভুইয়া, সাবরা খান, আওয়াল খানসহ আরও অনেকে।

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন