বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিশিষ্ট সামাজিক ব্যক্তিত্ব হুমায়ূন কবির জানালেন, তাঁরা বন্ধুরা মিলে সোমালিয়ান দুটি গরু ক্রয় করেছেন। এর প্রতিটির মূল্য ছয় হাজার রিয়াল। দামের বিষয়ে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। অপর দিকে আতাউর রহমান মুকুল ৭ হাজার ৫০০ রিয়াল দিয়ে একটি ব্রাজিলিয়ান গরু কিনেছেন এবং তিনিও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এমনভাবে আরও অনেক প্রবাসী পছন্দের গরু, ছাগল বা দুম্বা কিনে খামারিদের কাছেই রেখে আসছেন, ঈদের দিন সকালে পৌরসভার নির্ধারিত স্থানে নিয়ে এই পশু কোরবানি করা হবে। বাজারগুলোতে স্থানীয় খামারিদের পশুর পাশাপাশি দেখা গেছে বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা পশু। বিভিন্ন কারণে পশুর দাম এবার কিছুটা বেশি বলে দাবি বিক্রেতাদের। সৌদি আরবে বাংলাদেশর মতো ৫ শতাংশ আসিলের জন্য বাড়তি কোনো টাকা দিতে হয় না। তবে এসব বাজারের সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছেন, মাস্ক ছাড়া কেউ বাজারে প্রবেশ করতে পারেন না। বাজারে ঢোকার ও বের হওয়ার জন্য নির্ধারিত গেট আছে। বাজারে ঢোকার সময় শরীরের তাপমাত্রা মেপে ভেতর প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। বাজারের চতুর্দিকে রয়েছে সাদাপোশাকধারী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

default-image

সৌদি আরবে প্রতিটি শহরে পশু জবাই করার জন্য পৌরসভা কর্তৃক নির্ধারিত কসাইখানা রয়েছে, এর বাইরে কোরবানি পশু জবাই করা বেআইনি। আইন অমান্য করা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয় পৌরসভা কর্তৃপক্ষ।

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন