বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হেফাজত নেতা মামুনুল হককে নিয়ে ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে সুনামগঞ্জের শাল্লা থানায় করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে কারাগারে ঝুমন। গত ১৬ মার্চ ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্ট দেওয়ার অভিযোগ তুলে ১৭ মার্চ নোয়াগাঁও গ্রামে সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর ও মন্দিরে হামলা চালানো হয়। তার আগে ১৬ মার্চ রাতে ঝুমনকে আটক করা হয়। তাঁকে ১৭ মার্চ ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়। আদালত সেদিন তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ২২ মার্চ শাল্লা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করে পুলিশ। মামলায় গত ২৩ মার্চ ঝুমনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গত ৩০ মার্চ তাঁকে দুদিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। এ মামলায় গ্রেপ্তার হন ৫২ জন, যাঁরা সবাই জামিনে মুক্ত। জেলে ছিলেন শুধু ঝুমন দাশ, প্রায় সাত মাস পর সাতবারের চেষ্টায় তিনি জামিন পান।

ঝুমন দাশ মুক্তি পেয়েছেন, ভালো কথা, এরপর কী? ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ‘ধর্ম অবমাননার’ দায়ে আরও অনেকে ঝুমন দাশের মতোই গ্রেপ্তার হয়ে আছেন, তাঁদের মুক্তি দেওয়া হোক।

ঝুমন দাশের মুক্তি একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। এ নিয়ে জাতীয় ঐকমত্য এ ইঙ্গিত দিচ্ছে যে বঙ্গবন্ধুর প্রদর্শিত পথে দেশ ও জাতিকে পরিচালিত হতে হবে। দেশে শনৈঃশনৈঃ উন্নতি হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু নৈতিক অবক্ষয় ও দুর্নীতিতে দেশ আকণ্ঠ নিমজ্জিত। আওয়ামী লীগ দেশ স্বাধীন করেছে, দেশকে উন্নতির শিখরে নিয়ে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগকেই পারতে হবে দেশকে ‘সঠিক রাস্তায়’ নিয়ে যেতে, নইলে সবকিছু অর্থহীন হয়ে যাবে।

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন