বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ডেন্টোনিয়া পার্কের ভাষা স্মৃতিস্তম্ভ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনার খলিলুর রহমান, বাংলাদেশের স্বনামধন্যা অভিনেত্রী সুবর্ণা মোস্তফা, টরন্টো ইস্ট-ইয়র্ক বিচেস–এর সিটি কাউন্সিলর ব্রাড ব্রাডফোর্ড, সিটি কাউন্সিলর গ্যারি ক্রফোর্ড, সাবেক সিটি কাউন্সিলর জ্যানেট ডেভিস, এমপি নাথানিয়েল আর্সকিন-স্মিথ, এমপিপি রিমা বার্নস-ম্যাকগোয়ন, এমপিপি ডলি বেগম, অর্গানাইজেশন ফর টরন্টো ইন্টারন্যাশনাল মাদার ল্যাঙ্গুয়েজ ডে মনুমেন্ট ইনক–এর সাবেক পরিচালকমণ্ডলী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

default-image

অনুষ্ঠানের শুরুতেই রুমানা চৌধুরীর সঞ্চালনায় ওটিআইএমএলডিএম সংগঠনের প্রেসিডেন্ট ম্যাক আজাদ তাঁদের দীর্ঘ সাত বছরের যাত্রাপথে যাঁরা বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন, তাঁদের সবার প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। সংগঠনের চেয়ারপারসন চয়নিকা দত্ত তাঁর বক্তব্য বলেন, ‘আমাদের সবার কাছে মাতৃভাষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এক বিষয়। এই স্মৃতিস্তম্ভ আমাদের মাতৃভাষা রক্ষার জন্য আমাদের কর্তব্য মনে করিয়ে দেবে, যেন আর কোনো ভাষা হারিয়ে না যায়।’ মীর্জা শাহীদুর রহমান তাঁর বক্তব্যে সংগৃহীত মোট তহবিলের হিসাব তুলে ধরেন।

প্রধান অতিথি সিটি অব টরন্টো মেয়র জন টরি বলেন, মাতৃভাষা স্মৃতিস্তম্ভ বাংলাদেশিদের পাশাপাশি অন্য সব ভাষার মানুষদের জন্যও খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তিনি মাতৃভাষা রক্ষার ব্যাপারে বাংলাদেশ ও কানাডার ইতিহাস সংক্ষেপে তুলে ধরেন। এ ছাড়াও তিনি ওটিআইএমএলডিএম–এর দীর্ঘ সাত বছর কতটা রুক্ষপথ যে মোকাবিলা করতে হয়েছে, তা উল্লেখ করেন।

default-image

কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনার খলিলুর রহমান তাঁর বক্তব্যে বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস স্বীকৃতিতে বাংলাদেশ ও কানাডার ভ্যাঙ্কুভার অধিবাসী রফিকুল ইসলাম ও আবদুস সালামের অবদানের কথা উল্লেখ করেন।

সিটি কাউন্সিলর ব্রাড ব্রাডফোর্ড, গ্যারি ক্রফোর্ড, সাবেক সিটি কাউন্সিলর জ্যানেট ডেভিস, এমপি নাথানিয়েল আর্সকিন-স্মিথ, এমপিপি রিমা বার্নস-ম্যাকগোয়ন ও ডলি বেগম, সবাই তাঁদের মূল্যবান বক্তব্যে অর্গানাইজেশন ফর টরন্টো ইন্টারন্যাশনাল মাদার ল্যাঙ্গুয়েজ ডে মনুমেন্ট ইনক ও টরন্টোর সমগ্র বাংলা কমিউনিটিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন